Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আবাসের সমীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বাড়তি গুরুত্ব পুলিশকে

আবাসের সমীক্ষার কাজে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিওদের পাশাপাশি লোকাল থানার আইসি-ওসিদেরকেও বাড়তি দায়িত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুজোর পরে পরেই আগামী ২১ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হতে চলেছে আবাসের(Bangla Awas Yojna) জন্য সমীক্ষার(Survey) কাজ যা চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। সেই সমীক্ষা যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ভাবে হয় তার জন্য এবার রাজ্য পুলিশকে(State Police) বিশেষ গুরুত্ব(Special Importance) দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ রাজ্যের তহবিল থেকে বাংলার ১১ লক্ষেরও বেশি প্রান্তিক মানুষের জন্য বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। সেই কারণে সমীক্ষার কাজে যাতে বিন্দুমাত্র দুর্নীতি মাথা না তোলে তার জন্য প্রথম থেকেই সচেষ্ট নবান্ন। সেই সূত্রেই সমীক্ষার কাজে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিওদের পাশাপাশি লোকাল থানার আইসি-ওসিদেরকেও বাড়তি দায়িত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সমীক্ষার পরে চূড়ান্ত উপভোক্তা তালিকা টাঙানো হবে গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও ও এসডিও অফিসে। তা দেওয়া হবে জেলার ওয়েবসাইটেও। প্রত্যেক বিডিও অফিসে রাখা হবে অভিযোগ গ্রহণের বাক্স। যেকোনও অভিযোগের নিষ্পত্তি পাঁচদিনের মধ্যেই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ জানানো যাবে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর হেল্পলাইন নম্বরে।

আরও পড়ুন, ৪১,৮৮৯টি পুজো কমিটির মধ্যে অনুদান ফিরিয়েছে মাত্র ৫৯টি, ধাক্কা বাম-বিজেপির

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষার সময় থেকে শুরু করে বাড়ি তৈরি শেষ হওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাজ প্রশাসনিক কর্তারা ঘুরে ঘুরে দেখবেন। সেই ঘুরে দেখার কাজে যাতে কোনওরকমের বাধাপ্রদানের ঘটনা না ঘটে তা দেখবেন স্থানীয় থানার আধিকারিকেরা। উপভোক্তারা কোনোরকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কিনা, তা দেখতে পারবেন থানার আধিকারিকেরাও। প্রকল্পের অগ্রগতি, অভিযোগ গ্রহণ প্রভৃতি তথ্যাদি অফিসারদের নিজেদের মধ্যে আদান-প্রদানের জন্য একটি পোর্টাল তৈরি করা হচ্ছে। সেটি ব্যবহার করার জন্য, এসওপিতে জেলা স্তরের পদস্থ কর্তা এবং বিডিওদের মতো পুলিশ অফিসারদের জন্যও ইউজার আইডি জেলা প্রশাসনকে তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সুবিধা কেবলমাত্র ন্যায্য প্রাপকরাই পেলেন কি না, তা স্বাধীনভাবে স্যাম্পেল ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে খতিয়ে দেখবেন অফিসাররা। সেই দলে থাকবেন স্থানীয় থানার আধিকারিকেরাও। আবার সমীক্ষার সময়ে আধারের পাশাপাশি উপভোক্তাদের Unique Documents Identification Number বা UDIN দিতে হবে। সেই সব নথি সঠিক ভাবে দেওয়া হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন পুলিশ আধিকারিকেরা।

আরও পড়ুন, আমজনতার আস্থা কলকাতাতেই, ফ্ল্যাট বিক্রি বেড়েছে ১৪ শতাংশ

সমীক্ষার জন্য রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর অন্য ১০টি দফতর সরকারি কর্মচারী ও আধিকারিকদের চেয়েছে। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত ধরে ধরে সমীক্ষা করার জন্য রয়েছেন ন্যূনতম ৩জন করে সরকারি আধিকারিক। প্রতিটি সমীক্ষার দলে ৩জন করে আধিকারিক নিশ্চিত করার জন্য একাধিক দফতরকে চিঠি দিয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের। অন্যান্য দফতর থেকেও সরকারি কর্মী প্রয়োজন এই সমীক্ষার কাজে। যাতে নির্ভুল ও স্বচ্ছ সমীক্ষা হয়, সেটিই লক্ষ্য প্রশাসনের। জেলা স্তরে ও মহকুমা স্তরে যাতে সরকারি কর্মচারীদের এই সমীক্ষার জন্য দেওয়া হয়, তার নির্দেশ ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে জেলা স্তরে চলে গিয়েছে। তালিকায় থাকা নাম সঠিক কিনা তা যাচাইয়ের কাজে যুক্ত করা হচ্ছে থানার ওসিদের। সমীক্ষার সময়ে সমীক্ষকরা স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে তালিকা সংগ্রহ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করবেন। সেই সময় তাঁদের কাজে কেউ বাধা দান করএল সঙ্গে থাকা পুলিশ আধিকারিক কড়া পদক্ষেপ করতে পারবেন। যাচাইয়ের পর্বে করতে হবে ভিডিওগ্রাফি। তা সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা সেদিকেও নজর থাকবে পুলিশের।

আরও পড়ুন, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিল টেস্ট টিউব বেবি, সম্পূর্ণ নিখরচায় এই প্রথম

গল্প এখানেই শেষ নয়, সমীক্ষার পরে যোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা প্রকাশের পরেও তিনটি স্তরে হবে ফের হবে যাচাই পর্ব। বিডিও, মহকুমা শাসক ও জেলাশাসকরা ইচ্ছামত যে কোন নাম নিয়ে যাচাই করতে যাবেন। এমন কি রাজ্যস্তরের আধিকারিকরাও ইচ্ছা করলে খুশি মতো বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে তালিকায় থাকা নামে সত্যতা যাচাই করতে পারেন। উপভোক্তাদের তৈরির তালিকা নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে তা সরাসরি জানানো যাবে। এজন্য প্রত্যেকটি বিডিও অফিসে অভিযোগ পত্র জানানোর জন্য বাক্স রাখা হবে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পাঁচটি কাজের দিনের মধ্যেই তা যাচাই করে সঠিক ভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই রকমের ক্ষমতা থাকছে পুলিশের কাছে। স্থানীয় থানায় এই মর্মে কোনও অভিযোগ জমা পড়লে তা খতিয়ে দেখতে পারবেন স্থানীয় থানার আধিকারিকেরা। প্রয়োজনে তাঁরা এলাকায় স্বাধীনভাবে টহলও দিতে পারবেন। আবাসের এই সমীক্ষার কাজে পুলিশকে এই বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের একাংশের অনুমান, সমীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বেশ কিছু কঠিন পদক্ষেপ করতে হবে সমীক্ষকদের। সেই সময় সঙ্গে পুলিশ না থাকলে তা করা যাবে না।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00