Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ডানার প্রভাবে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি, উপকূলবর্তী এলাকায় রীতিমতো দাপট

ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বাংলায় রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি চলছে। উপকূলবর্তী এলাকায় রীতিমতো দাপট দেখাচ্ছে বৃষ্টি। অফিস টাইমে খাস কলকাতাতেও রাস্তাঘাট জনশূন্য।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’(Cyclone Dana) বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ স্থলভাগে ঢুকতে শুরু করে। এদিন অর্থাৎ শুক্রবার বেলা ১০টা নাগাদ তার স্থলভাগে প্রবেশের পালা সম্পূর্ণ হয়। ল্যান্ডফল চলাকালীন ওড়িশা এবং বাংলার(Bengal) উপকূলে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। তবে সকালে ল্যান্ডফল শেষ হওয়ার পর গতি কিছুটা কমেছে। বর্তমানে উপকূল এলাকায় ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শক্তি হারিয়ে তা এখন সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। বিকেলের মধ্যে আরও কিছুটা শক্তিক্ষয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে ডানা। এদিকে সেই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বাংলায় রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি(Rain Through over the State) চলছে। উপকূলবর্তী এলাকায় রীতিমতো দাপট দেখাচ্ছে বৃষ্টি। বেশ কিছু জায়গায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন-বাস পরিষেবা। অফিস টাইমে খাস কলকাতাতেও রাস্তাঘাট কার্যত জনশূন্য। তবে কলকাতা বিমানবন্দরে শুরু হয়েছে পরিষেবা।  

আরও পড়ুন, রাতভর নবান্নে কাটিয়ে সকালেও ঝড়বৃষ্টির নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গতকাল রাত থেকে ডায়মন্ডহারবারে বৃষ্টি হয়েছে ৬৭ মিলিমিটার। দিঘায় বৃষ্টির পরিমাণ ৩৭ মিলিমিটার। হলদিয়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৩ মিলিমিটার। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে রাত থেকেই। বেলা বাড়লেও শহর কলকাতার(Kolkata) আকাশে আলোর দেখা নেই। বৃষ্টি হয়ে চলেছে অঝোরে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আগে থেকেই লাল সতর্কতা জারি করা আছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলিতেও এদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। গতকাল রাত থেকেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। গড়িয়াতে ৪২ মিলিমিটার, যোধপুর পার্কে ৪১ মিলিমিটার, বালিগঞ্জে ৪২ মিলিমিটার, তোপসিয়ায় ৪০ মিলিমিটার, চেতলায় ৩৮ মিলিমিটার, মোমিনপুরে ৩৬ মিলিমিটার, ঠনঠনিয়ায় ২৪ মিলিমিটার, উল্টোডাঙায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে।  

আরও পড়ুন, ‘বাংলা তো জল হজম করার জায়গা হয়ে গিয়েছে’, ডিভিসি-কে নিশানা মমতার

ঘূর্ণিঝড় কতটা ক্ষয়ক্ষতি ঘটাবে, তা নিয়ে আতঙ্ক ছিলই। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে রাজ্য প্রশাসন। কারণ আশঙ্কা থাকলেও এই রাজ্যে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি ডানা। এমনকি রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর(Purba Midnapur) এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা(South 24 Pargana) থেকেও বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি। উপকূলবর্তী জেলা হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতেও প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিল জেলা প্রশাসন। সমুদ্র তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বহু মানুষকে। আশঙ্কাকে সত্যি করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই দিঘায় সমুদ্র অশান্ত ছিল।

আরও পড়ুন, দুর্যোগ মোকাবিলায় নজর রাখতে রাতে নবান্নেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

শুক্রবার সকালে সেই সমুদ্রই কিন্তু অনেকটাই শান্ত। তবে জোরালো বৃষ্টি হচ্ছে দিঘা, শঙ্করপুর এবং তাজপুরে। বইছে ঝোড়ো হাওয়াও। এখনও পর্যন্ত পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি। একই পরিস্থিতি দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও। রাত ৩টের পর সুন্দরবন এবং সংলগ্ন এলাকায় ঝড় শুরু হলেও তা খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে সেখানে ভারী বৃষ্টি চলছে। বইছে ঝোড়ো হাওয়াও। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে সুন্দরবনের একাধিক নদীঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। গদখালি, গোসাবা, দয়াপুর, চুনোখালি, ঝড়খালি, শঙ্করপুর-সহ বিভিন্ন ফেরিঘাটে প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী শুক্রবার সকালেও ফেরি চলাচল বন্ধ। তবে অনেক ফেরিঘাটে যাত্রীরা দাঁড়িয়ে আছেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00