Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বেঙ্গালুরুকে চার উইকেটে হারিয়ে রুদ্ধশ্বাস জয় রাজস্থানের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : টান টান উত্তেজনা। তুল্যমূল্য লড়াই। শেষ পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ৪ উইকেটে হারিয়ে আইপিএল শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস। অন্যদিকে এবারের মতো প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেল বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। রাজস্থানের পরের ম্যাচ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচ জিতলেই রাজস্থান পৌঁছে যাবে ফাইনালে।

এদিন ১৭৩ রান তাড়া করতে নেমে ধীর গতিতে ইনিংস শুরু করেন যশস্বী জয়সওয়াল ও কোডমোর। দুই ওভারে মাত্র ৬ রান করে রাজস্থান। তৃতীয় ওভারে যশ দয়ালের আউট হতে হতে বেঁচে যান যশস্বী। তবে ঠিক পরের বলেই যশকে একটা চার মারেন রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক। এরপরে ফের আরও দুটি চার মারেন। পরের ওভারে সিরাজের বলে দু-দুটি চার মারেন ক্যাডমোর। এরপর যশস্বীও আরও একটা চার মেরে রাজস্থানকে এগিয়ে নিয়ে যান। যশস্বী ও ক্যাডমোর দুর্ধর্ষ ব্যাটিং শুরু করলেও বেঙ্গালুরুর ফিল্ডারদের মিস ফিল্ড রাজস্থানকে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। ষষ্ঠ ওভারে বল করতে আসেন লকি ফার্গুসন। সঙ্গে সঙ্গে ক্যাডমোরকে বোল্ড আউট করেন তিনি।৪৬ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয়। শেষ হয় পাওয়ার প্লে। ক্যাডমোর আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে আসেন সঞ্জু স্যামসন। এসেই স্বপনীলের বলে ছয় মারেন সঞ্জু। অন্যদিকে যশস্বী সাবলীলভাবে ব্যাট করতে থাকেন। স্বপনীলকে পর পর দুটো রান মারেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এরপরেও রাজস্থানকে রয়্যালস অধিনায়ককে থামাতে পারেননি বেঙ্গালুরুর বোলাররা।

৯ ওভারের মাথায় ক্যামেরুন গ্রিনের বলে প্যাডেল সুইপ করতে গিয়ে আউট হয়ে যান যশস্বী। দশ ওভারের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে যায়। যশস্বী আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন রিয়ান পরাগ। এরপরেই কর্ন শর্মার বলে আউট হয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৮৬ রানের মধ্যে তিন উইকেট পড়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। সঞ্জু আউট হওয়ার পর রাজস্থানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে নেন রিয়ান পরাগ। এসেই চার মারেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১২ ওভারের মাথায় ১০০ রান করে রাজস্থান।একটা সময়ে ৪৩ বলে ৬৩ রান করতে হত রাজস্থানকে। ক্রিজে পরাগ ও জুরেল। এরপর ক্যামেরন গ্রিনের ওভারে দুই রান নিতে গিয়ে ধ্রুব জুরেল রান আউট হয়ে যান। জুরেলের আউটের পর ব্যাট করতে আসেন হ্যাতমায়ার।রিয়ান পরাগ হ্যাতমায়ারকে সঙ্গে নিয়ে রাজস্থানকে এগিয়ে নিয়ে যান। জয়ের জন্য যখন রাজস্থানের ৩০ বলে ৪৭ রান দরকার ছিল, তখন ছয় মারেন হ্যাতমায়ার। এরপর রিয়ান পরাগ আরো একটা ছয় ও একটা চার মেরে জয়ের আরো কাছাকাছি রাজস্থানকে পৌঁছে দেয়। এরপর যশ দয়ালের বলে চার মারেন হ্যাতমায়ার। পরের বলে আরো একটা চার মারেন ও জয়ের জন্য আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেন রাজস্থানকে। এরপরই সিরাজের বলে বোল্ড আউট হয়ে যান রিয়ান পরাগ। জয়ের জন্য ১৬ বলে ১৬ রান দরকার ছিল রাজস্থানের। ক্রিজে নামেন রভম্যান পাওয়েল। এরপর হ্যাতমায়ার সিরাজের বলে ছয় হাঁকাতে যান। তখন অধিনায়ক ডুপ্লেসি ক্যাচ ধরে বেঙ্গালুরুর জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন। কিন্তু পাওয়েল পর পর দুটি চার মেরে রাজস্থানকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে আসেন। জয়ের জন্য ৭ বলে ৫ রান বাকি ছিল। এরপর ছয় মেরে রাজস্থানকে জয় এনে দেন পাওয়েল। চার উইকেটে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00