Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

গোষ্ঠ পালের খেলা দেখতে ছদ্মবেশে গড়ের মাঠে গিয়েছিলেন নেতাজি, জেনে নিন অজানা কাহিনী

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : বিশ্ববরেণ্য সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “গীতাপাঠের থেকে ফুটবল খেলা ভাল।” এই কথাটিও যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল ভারতমায়ের সৈনিক সন্ন্যাসী-সন্তান সুভাষের ক্ষেত্রে। যদিও ইতিহাসের পাতা ওল্টালে স্বামীজীর ক্রীড়া প্রীতির অধিক উল্লেখযোগ্য ঘটনার নজির চোখে পড়ে। স্বামীজীর জীবনী পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে ঘাঁটলে তাঁর সাথে কলকাতা ময়দানের যোগাযোগের কথা জানা যায়। বিভিন্ন গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারেও জানা যায় টাউন ক্লাবের হয়ে নরেন্দ্রনাথ দত্ত তথা স্বামী বিবেকানন্দের ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার কথা। কিন্তু সুভাষচন্দ্র বসু কি তেমনই খেলাধূলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন? ইতিহাস বলছে, সাহেবী স্কুলে পড়াশোনা ও পরবর্তী সময়ে কলকাতায় এসে প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং স্কটিশচার্চ কলেজে পড়লেও বল পায়ে কিংবা ব্যাট হাতে নিয়ে সুভাষের মাঠে নামার কোনো হদিশ মেলে না। তবে এটা জানা যায় যে,  তিনি মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের খুব বড় সমর্থক ছিলেন । খুব সম্ভবত সেটার নেপথ্যে ছিল মোহনবাগান ক্লাবের সঙ্গে দেশাত্মবোধ জড়িয়ে থাকার কারণ। সেই আমলে দুর্ধর্ষ ফুটবলার “চাইনিজ ওয়াল” নামে খ্যাত গোষ্ঠ পালের খেলা দেখতে তিনি মোহনবাগান মাঠেও গিয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

 সেই সময় ফুটবলার হিসেবে কলকাতা ময়দানে বেশ নাম করেছিলেন গোষ্ঠ পাল। যিনি তৎকালীন বাংলাদেশের নড়িয়ার ভোজেশ্বর গ্রামে ১৮৯৬ সালের ২০ অগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বয়সে নেতাজির থেকে একটু বড় হলেও গোষ্ঠ তাঁকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করতেন। নেতাজির মত সরাসরি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ না নিয়েও খেলার মাঠে বারবার ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই রাইট ব্যাক পজিশনের ফুটবলার। এমনটাও জানা যায়, গোষ্ঠ তাঁর অসম্ভব শক্তিশালী পায়ে বল মেরে বিপক্ষ দলের এক সাহেব ফুটবলারের পাঁজরের হাড় ভেঙে দিয়েছিলেন। এমনকী বহু বার তিনি ফুটবল মাঠে গোরাদের দলকে আটকে দিয়েছেন খালি পায়ে । গোষ্ঠর অকুতোভয় ফুটবল সমীহ করতেন সাহেব ফুটবলাররাও। ফলে মোহনবাগানে গোষ্ঠ পালকে নিয়ে এক প্রবল দেশাত্মবোধ গড়ে উঠেছিল। শোনা যায়, একবার ছদ্মবেশে গোষ্ঠ পালের খেলা দেখতে এসেছিলেন নেতাজি । এই কিংবদন্তি ফুটবলার মনে করতেন, “কেউ যদি দেশের কথা ভেবে থাকেন, তিনি একমাত্র নেতাজি । তিনি থাকলে দেশভাগ হত না ৷”

জানা যায়, নেতাজি গোষ্ঠ পালের খেলা দেখে দারুণ খুশি হয়েছিলেন । যদিও তার আগে বা পরে নেতাজির সঙ্গে আর দেখা করার সুযোগ হয়নি গোষ্ঠ পালের । দূর থেকে হলেও থেকে গিয়েছিল সেই শ্রদ্ধা আর ভালবাসা। গোষ্ঠ পালের পুত্র নীলাংশু পাল জানিয়েছিলেন,” কোনওদিনই নেতাজির সঙ্গে আমার বাবার সামনাসামনি দেখা হয়নি । তবে বাবার প্রতিও নেতাজির শ্রদ্ধা ছিল। আবার উলটো দিকে বাবাও নেতাজির কথা বলতেন বারবার ।” নীলাংশু আরও জানিয়েছেন, “বাবা সেই সময় মোহনবাগানের হয়ে খেলছেন । খেলাটা ছিল ক্যালকাটা ফুটবল ক্লাবের বিরুদ্ধে । এখনকার মোহনবাগান মাঠে । মনে করিয়ে দিই, এখন যেখানে মোহনবাগান তাঁবু, তখন কিন্তু সেখানে ছিল না । অর্থাৎ খেলাটা মোহনবাগানের ঘরের মাঠে নয় । সেই ম্যাচে জিতেছিল সবুজ-মেরুন ক্লাব । বাবা জানতেন না তাঁর খেলা দেখতে হাজির হয়েছেন স্বয়ং নেতাজি । কারণ তিনি এসেছিলেন ছদ্মবেশে । খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর, বাবাকে একজন এই খবর জানান ।”

ব্রিটিশদের চোখে ‘ধুলো’ দিয়ে পালিয়েছিলেন,সেই রাতে কী ঘটেছিল নেতাজির সঙ্গে ?

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00