দশভুজা রূপে নন, দু-হাতেই দুর্গা পূজিতা হন বনগাঁর দাঁ বাড়িতে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটল। আর কিছু সময় মাত্র এরপরই উমাকে মর্ত্যে স্বাগত জানাবে ভক্তরা। কৈলাস থেকে মর্ত্যে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন দুর্গতিনাশিনী। তবে পুজোর আরও একটা অন্যতম আকর্ষণ হল বনেদি বাড়ির পুজো। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে বনেদি বাড়ির পুজো। অতীতের সেই জৌলুস, ধারা আজও ধরে রেখেছে বনেদি বাড়ির পুজো। এই প্রাচীন পুজো শুরুর এক একটা দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে বটে। তেমনই বনগাঁর প্রাচীন পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল দাঁ বাড়ির পুজো। ৩০০ বছর হতেই চলল। এখনও নিয়ম-রীতি মেনে দাঁ বাড়ির পুজো চলে আসছে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল মা দশভূজা রুপে নয়, এখানে মা পুজিত হয় দু-হাতেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর আগে ধনপতি সওদাগরের বংশধর এই দাঁ পরিবার প্রথম শুরু করেছিলেন দুর্গা পুজো। এই দুর্গা কমলেকামিনী নামে পরিচিত। স্বপ্নে পাওয়া দেবীর মূর্তির আদলে মূর্তি বানিয়ে বৈঁচিতে প্রথম শুরু হয়েছিল কমলেকামিনী দেবীর পুজো।

এখনও দাঁ বাড়িতে ঐতিহ্য মেনে এখনও পুজোর আয়োজন হয়ে আসছে। একসময় ধনপতি সওদাগর বাণিজ্য করতে যাওয়ার পথে প্রবল ঝড় বৃষ্টি চলাকালীন সমুদ্রের মধ্যে এক দেবীর দর্শন পেয়েছিলেন। রাজা শালিবান সেই গল্প শুনে, দেবী দর্শন করতে চেয়েছিলেন। তাই রাজা ধনপতি সওদাগরকে নিয়ে সমুদ্রে গেলেও, দেবীর দর্শন পান নি। ফলে ক্ষুব্ধ রাজা বন্দী করেন ধনপতি সওদাগরকে। পরবর্তীতে, ধনপতি সওদাগরের ছেলে শ্রীমন্ত বড় হয়ে বাবার খোঁজে সেই রাজার কাছে যান। দেবীর দর্শন পাবার জন্য রাজাকে নিয়ে সমুদ্রপথে পাড়ি দেন ছেলে শ্রীমন্তও। কিন্তু রাজাকে সেই দেবীর রূপ দেখাতে না পারায়, ক্ষুব্ধ রাজা শ্রীমন্তকে মাঝ সমুদ্রে ফেলে দেন।  এরপরই শ্রীমন্তকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করেন কমলেকামিনী দেবী দুর্গা।

মঙ্গলচণ্ডীর সেই কাহিনী থেকেই স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই বংশের সদস্যরা অসুরবিহীন দুহাত বিশিষ্ট এই দুর্গা প্রতিমার পুজো করে আসছেন।দেবীর রূপ এখানে হল, একহাতে ধরা শ্রীমন্ত ও অন্য হাতে পদ্ম নিয়ে অভয়দাইনি মা।

১৯৭১ সালে বনগাঁর দাঁ বাড়িতে শুরু হয় কমলেকামিনী রূপে দুর্গার পুজো। জন্মাষ্টমীর দিন থেকে প্রতিমা গড়ার কাজ শুরু হয়। পুজোর বিশেষত্ব বলতে দাঁ বাড়িতে অষ্টমীর দিন কুমারি পুজোর রীতি রয়েছে।নবমীর দিন ধুনোচি নাচের সঙ্গে রয়েছে নর-নারায়ন সেবা।

পুজোর সময় একবার হলেও এই জাগ্রত দেবীর দর্শন করে যান এলাকার প্রায় সমস্ত মানুষই। দূর দূরান্ত থেকেও বহু মানুষ আসেন কমলেকামিনী এই দেবীর পুজোয়। উৎসবের আনন্দে মেতে থাকেন দাঁ পরিবার।

তবে পরবর্তী সময়ে এক ভাই চলে যান যশোর, অন্য ভাই কৃষ্ণচন্দ্র দাঁ থেকে যান গোপালনগরে। সেখানেই ব্যবসার পাশাপাশি শুরু করেন দাঁ বাড়ির স্বপ্নে দেখা দেবী মূর্তি কমলেকামিনীর পুজো। এখানে দেড়শ বছরের অধিক এই পুজো হলেও, পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণচন্দ্র দাঁ এর পঞ্চম বংশধর অজিত কুমার দাঁ বনগাঁয় প্রচলন করেন এই পুজোর।

বিজেপি বিধায়কের বাড়িতে রক্তারক্তি কাণ্ড, ভাগচাষির মাথায় কোপ

শেষকৃত্যের প্রস্তুতির মাঝেই বিপত্তি, সন্দেহজনক কী দেখেই দেহ নিয়ে ছুটল পুলিশ?

সন্তানদের রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ‘সংসার’,রাগের মাথায় ভয়ঙ্কর বদলা নিল স্বামী..

লক্ষ্মীর আট অবতারের কথা জানেন ?

৩০০ বছর ধরে সিংহবাহিনী দেবী রূপে পুজিতা হয়ে আসছেন এই রাজবাড়িতে

ঠাকুর দেখে বাড়ি ফেরার পথে বাসের ধাক্কায় শেষ হয়ে গেল একই পরিবারের ৩ সদস্যের প্রাণ

পুজোয় স্বাদ বদলাতে চান ? জলখাবার বানিয়ে নিন রাজ কচুরি

ঢাকার গোপীবাগের রামকৃষ্ণ মিশনে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন কুমারী পুজো

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]