Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কাজু বিক্রি করে নয়া দিশা দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই নারী

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ করে দিলেন বাংলাদেশের শিরীন ও জবা। দুই আত্মনির্ভরশীল মেয়ের গল্পই বলব আজ আপনাদের। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন দেশে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেন মহিলারা। একুশ শতকে দাঁড়িয়েও মেয়েদের নিজের যোগ্যতায় বাঁচতে সমাজের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ করে দিলেন বাংলাদেশের শিরীন ও জবা। দুই আত্মনির্ভরশীল মেয়ের গল্পই বলব আজ আপনাদের। 

বাংলাদেশের রাঙামাটিতে থাকেন শিরীন। বাড়িতে রয়েছেন তিন মেয়ে ও স্বামী। হাতে তৈরি নানা শৌখিন জিনিস অনলাইনে বিক্রি করেই দিন কাটছিল ভালো শিরীনের। কিন্তু সেই পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল করোনা ও লকডাউন। আর্থিক ক্ষতি হয় ব্যবসার। তারপর ঠিক কী নিয়ে কাজ করলে লাভের মুখ দেখা যাবে এমন ভাবা শিরীনকে ‘উই’ নামক এক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সন্ধান দেন তাঁর স্বামী। এমনকি তাঁকে সেই অ্যাপে জয়েনও তিনিই করান। কিন্তু শুধু জয়েন করলেই তো হবে না বিক্রি করতে হবে নতুন কিছু জিনিস। যা গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। শেষমেশ রাঙামাটির বাসিন্দা হওয়ার দরুন সেখানকার বিখ্যাত কাজু নিয়ে কাজ করার কথা ভাবলেন শিরীন। ব্যস পড়াশোনা শুরু করে দিলেন সঙ্গে সঙ্গে। যোগাযোগ শুরু করলেন বিভিন্ন উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে। খুলে ফেললেন এসএস এগ্রো প্রোডাক্ট নামক একটি অনলাইন পেজ। বিভিন্ন রিসার্চ ও পড়াশোনা করে তিনি লিখতে শুরু করলেন তাঁর ব্যবসার অন্যতম মাধ্যম দুটি অ্যাপে। ব্যপক সাড়া পান প্রথম থেকেই শিরীন।

বাংলাদেশের অনেকেই সেদেশের কাজুবাদাম চাষ সম্পর্কে সেভাবে অবগত ছিলেন না। কিন্তু তা সম্পর্কে এখন অনেকেই অনেকটা জানেন। তার একমাত্র কারণ শিরীন।এই অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি। সংসার, সন্তান সামলানর পাশাপাশি দিনের বাকিটা সময় কাজু ব্যবসায় পুরোপুরি সময় দেন। এই কয়েকমাসের উদ্যোগে তিনি প্রায় ২২ লাখ টাকার কাজু বিক্রি করেছেন। দেশের প্রায় ৬৪টি জেলায় পৌঁছে দিয়েছেন সেদেশের কাজুবাদাম। এখন শিরীন নিজের দেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে পরিচিত ‘কাজু আপা’ নামে। একদিন কাজুবাদামের ফ্যাক্টরি করার স্বপ্ন দেখেন শিরীন। 

শুধু শিরীন একা নন। তার পাশাপাশি বাংলাদেশের নবপ্রজন্মও দিশা দেখছে কাজু । রাঙামাটির আরেক বাসিন্দা জবা তঞ্চং্য। কৃষক পরিবারের মেয়ে। পরিবারে রয়েছেন বাবা, মা, এক ভাই ও সে। জবা নিজে রাঙামাটি সরকারি কলেজে ইতিহাস অনার্স-র দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। লেখাপড়া চালানোর জন্য বাড়তি অ্যায় প্রয়োজন ছিল তার। আর সেই ভাবনা থেকেই ২০২০ সাল থেকে জবা শুরু করেন অনলাইনে ব্যবসা। রাসায়নিক্মুক্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা দ্রব্যাদী নিয়েই শুরু হয় তার ব্যবসা। আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে কাজুর ব্যবসায় তাঁর আসা। এখন রাঙামাটি ই-কমার্স ফোরাম’ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জবা এখন বাড়িতে বসেই কাজু বিক্রি করেন অনলাইনে। শুরুতে ৯০০ টাকা কেজি কাজু বিক্রি করতেন জবা এখন সেই কাজু সে বিক্রি করে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায়। আগামী দিনে চাকরি নয় বরং নিজের ব্যবসাকে দাঁড় করাতে চান জবা। সঙ্গে চান বহু ছেলেমেয়ে যাতে তাঁর দ্বারা চাকরি পান।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00