Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে রান্নাঘরকে সাজান নতুন রূপে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বর্তমান সমাজে একটি অত্যন্ত পরিচিত অসুখ ক্যানসার (Cancer) বিশেষত মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যানসার, ও জরায়ু ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাছে। এছাড়াও মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। কখন কার শরীরের কোন অংশে নিঃশব্দে বাসা বাঁধছে এই মারণ রোগ তা একপ্রকার আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের দৈনন্দিন জীবনেই আমরা এমন কিছু জিনিস ব্যবহার করি যা ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুন বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত আমাদের রান্নাঘরেই (Kitchen) রয়েছে এমন কিছু নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র যা ক্যানসারের বাহক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

নন-স্টিক বাসন: বর্তমান দিনে সহজে সৌখিনতা বজায় রাখতে আমরা সকলেই কম বেশি রান্নার ক্ষেত্রে নন-স্টিকের কড়াই ও খাবার খাওয়ার সময় নন-স্টিক বাসনপত্র ব্যাবহার করি। কারন নন-স্টিকের কড়াই ও বাসন সহজেই ধোয়া মোছা করা যায়। আবার একইসঙ্গে সৌখিনতা বজায় থাকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে এই সকল নন-স্টিকের কড়াই ও বাসন পারফ্লুওকটেন সালফেট নামে একটি রাসায়নিক দিয়ে তৈরি হয়। নন-স্টিকের কড়াই ও বাসনে রান্না ও খাওয়ার ফলে খাবারের সঙ্গে এই রাসায়নিক মিশে গিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তাই ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে রান্না ঘর থেকে সরিয়ে ফেলুন নন-স্টিক বাসন।

টি ব্যাগ: আধুনিক জীবন যাত্রার ক্ষেত্রে নন-স্টিক বাসনের পাশপাশি আরও একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান টি ব্যাগ। কর্পোরেট অফিসে কিংবা কলেজ ক্যান্টিনে অথবা দিন শেষে কফি শপে সর্বত্রই এখন টি ব্যাগ ডুবিয়ে চা খেতে অভ্যস্ত আমজনতা। পাশপাশি বাড়িতেও এখন অনেকেই টি ব্যাগ ডুবিয়ে চা খেতে অভ্যস্ত। এই টি ব্যাগ গুলি তৈরি হয় পিসিভি, ফুড গ্রেড নাইলন, এবং ন্যানো প্লাস্টিক দিয়ে। ফলে গরম জলে ডোবানো মাত্র এই টি ব্যাগ থেকে চায়ের সঙ্গে রাসায়নিক যৌগও পানীয়ে মিশে যায়, এবং তা শরীরে গিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তাই ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে টি ব্যাগ নয় ফোটানো চা খাওয়া অভ্যাস করুন।

পুরোনো মশলা ব্যাবহার: আগের দিনে ঠাকুমা দিদিমারা শীলনোড়াতে মশলা বেটে তা রান্নাতে ব্যাবহার করতেন। কিন্তু বর্তমান দিনে সময়ের অভাবে আমরা কেনা মশলা গুড়োতে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। অনেকে আবার বাড়ির প্রয়োজনীয় মশলা ২-৩ মাসের জন্য একসঙ্গে কিনে রেখে দেন। এই সকল মশলাতে অনেক সময়েই ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো হয়। এবং বাড়িতে কিনে দীর্ঘ দিন ফেলে রাখলে তাতে জল বাতাস লেগে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরী হয়। এবং তা খাবারের সঙ্গে মিশে আমাদের শরীরে গিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তাই ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গুঁড়ো মশলা বেশি দিন কিনে রাখবেন না। পাশপাশি কেনার সময় মশলা তৈরির তারিখ দেখে কিনুন। এবং যেকোনো মশলা না কিনে ভালো কোম্পানির মশলা কেনার চেষ্টা করুন। এছাড়া রান্নায় কম মশলা ব্যবহারের চেষ্টা করুন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00