নিজস্ব প্রতিনিধি : হাতে আর বেশি নেই। কৈলাস থেকে ছেলেমেয়েদের নিয়ে মর্ত্যে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহিষাসুরমর্দিনী। আর উমাকে বরন করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ভক্তরা। নবরাত্রির ৯ দিনে দুর্গার নটি রুপের পুজো করা হয়। শারদীয়া নবরাত্রি হল অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়ের প্রতীক। শারদীয়া নবরাত্রির দশমীর দিনে বিজয়াদশমী পালিত হয়। আপনি কী জানেন, শাস্ত্রমতে এই দুর্গাপুজো বা নবরাত্রিতে রঙের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বলা হয়, এই সময়ে ন’টি রং মা দুর্গার প্রত্যেকটি রূপকে সমর্পণ করা হয়। এই ৯ রঙের ছোঁয়া পোশাকে থাকলে শুভ ফল পাওয়া য়ায়। জেনে নিন ৯ দিন কোন রঙের পোশাক বেছে নেবেন।
নবরাত্রি প্রথম দিন : নবরাত্রির প্রথম দিনে পুজো হয় মা শৈল পুত্রীর। দেবী শৈল পুত্রীর পুজোতে হলুদ রঙের পোশাক পরা শুভ বলে মনে করা হয়।
নবরাত্রির দ্বিতীয় দিন: এইদিন ব্রহ্মচারিণীর পুজো হয়। এদিন সবুজ রং পড়তে পারেন। এই রং হল বৃদ্ধি ও উর্বরতার প্রতীক।
নবরাত্রীর তৃতীয় দিন : নবরাত্রীর তৃতীয় দিনে চন্দ্র ঘণ্টার পুজো করা হয়। এদিন বাদামি রঙের পোশাক পরা খুব শুভ।
নবরাত্রির চতুর্থ দিন : নবরাত্রি চতুর্থ দিনে কুস্মন্ডার পুজো হয়। এদিন কমলা রঙ্গের পোশাক বেছে নিতে পারেন। এতে জীবনে ইতিবাচকতা আসে।
নবরাত্রির পঞ্চম দিন : এইদিনে স্কন্ধ মাতার আরাধনা করা হয়। এদিন তাই সাদা পোশাক পরা শুভ। সাদা রং হল বিশুদ্ধতা এবং সরলতার প্রতীক। তাই এইদিন সাদা রঙের পোশাক পরতেই পারেন।
নবরাত্রির ষষ্ঠ দিন : এইদিনে কাত্তায়নীর পুজো করা হয়। এই সময় লাল রঙের পোশাক পরা শুভ। মনে করা হয়, লাল রঙের পোশাক ভক্তদের শক্তি জোগায়।
নবরাত্রির সপ্তম দিন : সপ্তম দিনে কাল রাত্রের আরাধনা করা হয়। এদিন তাই নীল রঙের পোশাক পরা শুভ।
নবরাত্রির অষ্টম দিন : এইদিনে মা মহা গৌরীর পূজা করা হয়। এদিন তাই গোলাপি রঙের পোশাক পরা শুভ। মনে করা হয় এইদিন গোলাপী রঙের পোশাক পরলে জীবনে শান্তি ফিরে আসে।