নিজস্ব প্রতিনিধি : হাতে সময় খুব কম। আগামী জানুয়ারীতেই আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শফথ নেবে ট্রাম্প। এর মধ্যেই সমস্ত কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে বাইডেনকে। শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে রাজিও হয়েছে বাইডেন। বিদায়ী লগ্নে এই মুহূর্তে নতুন করে অনুশোচনায় ভুগছে বাইডেন।
জানা গিয়েছে,ট্রাম্পের বিপরীতে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাঁর এই অনুশোচনা। বাইডেন মনে করছেন, নির্বাচনে অংশ নিলে জনগণ হয়তো তাকেই বেছে নিত। এভাবে হেরে যেতে হত না।
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েকমাস আগে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির পক্ষ থেকে কমলা হ্যারিসের নাম ঘোষণা করেন তিনি। ভেবেছিলেন কমলার হাতে আমেরিকার দায়িত্বভার যেতে পারে। কিন্তু ফল হল উলট পুরান। বিপুল পরিমাণ ভোটে জিতলেন ট্রাম্প। বিদায়ী লগ্নে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর অনুশোচনা করছেন বাইডেন।
অবশ্য কমলাকে সরাসরি দোষারোপ করেননি বাইডেন প্রশাসন। তবে ডেমোক্র্যাটদের ধারণা, নির্বাচনে কমলার পরিবর্তে বাইডেন অংশ নিলে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সহজেই হারিয়ে দিতেন তিনি। জানা যায়, বাইডেন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মেরিক গারল্যান্ডকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুতপ্ত। শুধু বাইডেনই নয়, অনেক ডেমোক্র্যাটদেরও ধারণা, এটি বাইডেনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
ডেমোক্র্যাটদের অনেকে মনে করছেন গারল্যান্ড ৬ জানুয়ারির ঘটনায় ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সঠিক সময়ে তদন্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন তদন্তকারীরা। যদি তিনি সঠিক সময়ে তদন্ত করে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারতেন, তবে নির্বাচনে বাইডেন জয় পেতেন বলে মত ডেমোক্র্যাটদের একাংশের।