Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মার্কিন মিত্র ভারত ও জাপানকে ‘জেনোফোবিক’ বলে আখ্যা জো বাইডেনে’র

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত ও জাপানকে জেনোফোবিক আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। চীন, জাপান, রাশিয়া ও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের আমন্ত্রণ জানায় বলে তাদের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। এদিকে চীন, জাপান, রাশিয়া ও ভারতের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের মতো নয় বলে দাবি করেন বাইডেন। আপনি কি জানেন এই ‘জেনোফোবিক’ খতার অর্থ কি ? এর অর্থ হলো বিদেশি বা অভিবাসীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব। এবার এই নেতিবাচক মনোভাব বলে আখ্যায়িত করলেন বাইডেন।

শুক্রবার(৩ মে)এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জাপান এবং ভারতকে ‘জেনোফোবিক’ বলে অভিহিত করেছেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার সন্ধ্যায় প্রচারণা তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছিলেন বাইডেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধানত এশিয়ান-আমেরিকান দর্শকদের উদ্দেশ্যে’ই বক্তব্য রাখেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের নভেম্বরের মার্কিন নির্বাচন হবে ‘স্বাধীনতা, আমেরিকা এবং গণতন্ত্র’ নিয়ে।‘ তিনি এর কারণ দেখিয়ে বলেন, ‘ কারণ আমরা অভিবাসীদের স্বাগত জানাই। এটা নিয়ে ভাবুন। কেন চীন অর্থনৈতিকভাবে এত খারাপভাবে হয়ে পড়েছে? কেন জাপানের সমস্যা হচ্ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক।’ তাঁরা অভিবাসীদের চায় না বলেও মন্তব্য করেন।

জানা গেছে, জাপানের বিরুদ্ধে বাইডেনের সমালোচনামূলক এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে যখন কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা রাষ্ট্রীয় সফরের ওয়াশিংটন গিয়েছিলেন এবং শুধু তাই নয়, সেসময় মার্কিন-জাপান জোটকে ‘অলঙ্ঘনীয়’ বলে অভিহিত করেছিলেন বাইডেন।এছাড়া মানবাধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও ভারত বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এই নিয়ে যদিও হোয়াইট হাউস বলেছে, নিজের মন্তব্যের মাধ্যমে বাইডেন কোনও দেশের অপরাধের কথা উল্লেখ করেননি। বাইডেনের এসব মন্তব্য অবমাননাকর অর্থে বোঝানো হয়েছে এমন বিষয় অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস।

এমন মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক মার্কিন উপ-সহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী এলব্রিজ কোলবি জানিয়েছেন, ‘জাপান এবং ভারত আমাদের দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ মিত্র’।তিনি আরও বলেন  ‘আমাদের তাদের সাথে সম্মানের সাথে কথা বলা উচিত। এটিই তাদের প্রাপ্য। আমাদের মিত্রদের প্রতি সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করা বোকামি।’

এছাড়াও এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছেন জাতীয় নিরাপত্তার মুখপাত্র জন কিরবি। তিনি বলেন, ‘বাইডেন মার্কিন অভিবাসন নীতিতে আরও বিস্তৃত বক্তব্য রেখেছেন। আমাদের মিত্র এবং অংশীদাররা ভালোভাবে জানেন, তাদের বন্ধুত্ব, তাদের সহযোগিতার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট বাইডেন কীভাবে তাঁদের মূল্যায়ন করেন।’ তিনি জানান, ,বাইডেন জোট এবং অংশীদারিত্বের ধারণাকে অনেক গুরুত্ব দেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00