আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাক্ষীদের প্রভাবিত করা এবং প্রতারণার দায়ে কলম্বিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আলভারো উরিবে-কে ১২ বছর গৃহবন্দি করে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির এক আদালত। সেই সঙ্গে প্রায় ৫ লাখ ৭৮ হাজার ডলারও জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘গৃহবন্দি’ থাকাকালীন উরিবে কোনও ভোটে লড়তে পারবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন বিচারক। ওই সাজা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এই প্রথম কোনও প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে সাজা শোনানো হলো।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’ জানিয়েছে, ‘২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন উরিবে। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন বামপন্থী বিদ্রোহীদের দমনে ডানপন্থি প্যারামিলিটারি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও ওই অভিযোগ সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়েছেন উরিবে। প্রেসিডেন্টের কুর্সি থেকে হটে গেলেও এখনও দেশের বড় অংশের ভোটারদের কাছে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। সাক্ষীকে প্রভাবিত করার মামলায় গত সোমবার দোষী সাব্যস্ত হন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট উরিবে। মামলায় কারাবন্দি দুই প্রাক্তন আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে জানান, উরিবের আইনজীবী দিয়েগো কাদেনা তাদের ঘুষ দিতে চেয়েছিলেন, যেন তারা উরিবের পক্ষে সাক্ষ্য দেন। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাদেনা।’
সম্প্রতি মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী মার্কো রুবিও কলম্বিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট উরিবের সাজা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন ‘প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট উরিবের একমাত্র অপরাধ, তিনি তার দেশকে রক্ষা করতে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।’ কলম্বিয়ার বর্তমান সরকার বিচারব্যবস্থাকে ‘রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অবিযোগ তুলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপকর্মের সাগরেদ রুবিও।