নিজস্ব প্রতিনিধি: অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচারের অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডির সমন পেয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভি নেতা অঙ্কুশ হাজরা। পুজোর আগেই ইডির দফতরে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবশ্য এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি অভি নেতা। ইতিমধ্যেই অবৈধ অনলাইন বেটিং অ্যাপের প্রচারণার মুখ হয়ে বিপাকে পড়েছেন তারকারা। যার মধ্যে বলিউড ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির তারকা রয়েছেন। অভিযোগ, অবৈধ বেটিং অ্যাপের প্রচারের মুখ হয়ে বেআইনি পথে টাকা উপার্জন করেছেন অভিনেতারা।
সেই তালিকায় প্রথম কোনও টলিউড অভিনেতার নাম জড়াল। এদিকে এই বিষয়ে কোনও মুখ না খুললেও গতকাল চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়-শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রোডাকশন হাউসের ১৫ বছরের উদযাপনে দেখা গেল অঙ্কুশকে। শনিবার মুভিটোন স্টুডিয়োয় হয়েছে সেলিব্রেশন। সেখানেই প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন অঙ্কুশ হাজরা। স্টার জলসায় ধারাবাহিক ‘বিন্নি ধানের খই’ দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়েল প্রোডাকশন হাউস। ছোটপর্দায় বেশ জনপ্রিয় লীনা-শৈবালের প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস। একের পর এক জনপ্রিয় ধারাবাহিক উপহার দিয়েছেন তাঁরা।
যেমন, ‘ইচ্ছে নদী’, ‘ফাগুন বউ’, ‘কেয়াপাতার নৌকো’, ‘জলনূপুর’, ‘শ্রীময়ী’, ‘মোহর’, ‘দেশের মাটি’, ‘খড়কুটো’, ‘গুড্ডি’, ‘চিরসখা’। সবটাই বহুদিন ধারাবাহিক মহলে রাজত্ব করেছে। সেই কারণে প্রায় প্রত্যেক ধারাবাহিকের অভিনেতারা এ দিনের সন্ধ্যায় উপস্থিত হয়েছিলেন। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, অনসূয়া মজুমদার, ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী থেকে ছিলেন সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাদশা মৈত্র, ঋতা দত্ত চক্রবর্তী, মালবিকা সেন, অপরাজিতা ঘোষ দাস, বিক্রম চট্টোপাধ্যায়, লাভলি মৈত্র, শ্রুতি দাস, দিব্যজ্যোতি দত্ত, রাজন্যা মৈত্র, কৌশিক রায়-সহ সকলেই, যাঁরা ১৫ বছর ধরে লীনা শৈবালের প্রযোজিত ধারাবাহিকগুলির মুখ হয়েছেন। এদিন কেক কেটে উৎসব শুরু হয়। পাশাপাশি বহুদিন এদিনের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে ফ্রেমবন্দি হয়েছিলেন ‘শ্রীময়ী’ ধারাবাহিকের ‘অনিন্দ্য’ সুদীপ মুখোপাধ্যায় আর ‘জুন আন্টি’ ঊষসী চক্রবর্তী। আর অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া হয়েছে পুরো বাঙালি রীতি মেনে। মেনুতে ছিল লুচি, ছোলার ডাল, বেগুনভাজা, ঘি পোলাও, ইলিশ, পাঁঠার মাংস, দই, মিষ্টি। আর প্রেমিকা এবং বন্ধু ঐন্দ্রিলা-বিক্রমের সঙ্গে সমস্ত পদ তৃপ্তি করে খেয়েছেন অঙ্কুশও। তাঁর চোখ-মুখে কোনও চিন্তার ছাপ ছিল না।