Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সাপ ও টিকিটিকির বিষ সরবরাহ করে মাসে ৫০ লাখ টাকা আয় এলভিশের

সাপ এবং টিকটিকিগুলি শুধুমাত্র শুটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হত, নেশার জন্য নয়। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে এলভিশ বলেছেন, তিনি জানতেন যে এটি করা অন্যায়, তবুও তিনি এটি করেছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইউটিউবার এবং ‘বিগ বস OTT 2’ বিজয়ী এলভিশ যাদব, এই নামটার সঙ্গে সকলেই কম-বেশি পরিচিত। তবে তাঁর সুনাম থেকে দুর্নামটাই বেশি। মাস কয়েক আগেই সাপের বিষ পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন ইউটিউবার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি নয়দায় একাধিক রেভ পার্টিতে সাপের বিষ সরবরাহ করতেন। তাঁর সঙ্গে যুক্ত আরও অভিযুক্তরাই তাঁর নাম পুলিশের কাছ জানায়। এরপর অনেকদিন তদন্তের পর অবশেষে সাপের বিষ পাচার মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে প্রমাণিত হন এলভিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে পশু ও প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র অভিযোগ দায়ের করেছিল। তবে পুলিশের হাতে বন্দি হয়েই সকল অভিযোগ স্বীকার করে নেন এলভিশ। তার বিবৃতিতে অনেক চমকপ্রদ প্রকাশ পেয়েছিল। মার্চ মাসে, নয়ডা পুলিশ একটি ড্রাগ পার্টিতে সাপের বিষ সরবরাহের মামলায় এলভিশকে গ্রেফতার করে। যে পার্টিটি এলভিশ দ্বারা হোস্ট করা হয়েছিল। গ্রেফতারের পাঁচ দিন পর, আদালত এলভিশকে জামিন দেয়।

গত মাসে, পুলিশ এই মামলায় এলভিশ এবং আরও ৮ জনের বিরুদ্ধে ১২০০ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেছিল। এবার এই চার্জশিট থেকে আরও বিস্তারিত বেরিয়ে এসেছে। যেখান থেকে জানা গিয়েছে, এলভিশের প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা আয়। নিজের আয়ের উৎস বর্ণনা করে এলভিশ বলেছেন, ‘আমি ভিডিও তৈরি করি, ইউটিউবে আপলোড করি। কোথাও কোনও অনুষ্ঠান থাকলে সেখানে গিয়ে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করি। ইউটিউব থেকে আমার আয় হয় ৩৫-৪০ লাখ টাকা। এ ছাড়া আমি ‘সিস্টেম’-এ যোগ দিয়েছি। সেই সিস্টেম থেকে ৮-১০ লক্ষ টাকা উপার্জনও করতে পারি।’ অভিযোগপত্রে এলভিশ স্বীকার করেছেন যে, তিনি বিভিন্ন প্রজাতির সাপের ভিডিও শুট করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্য সব অভিযোগ মিথ্যা। সাপ এবং টিকটিকিগুলি শুধুমাত্র শুটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হত, নেশার জন্য নয়। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে এলভিশ বলেছেন, তিনি জানতেন যে এটি করা অন্যায়, তবুও তিনি এটি করেছিলেন। পার্টিতে সাপের বিষ ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করে এলভিশ আরও বলেছেন, ‘কখনও পার্টির খরচ দিতেন নিজে আবার কখনও বন্ধুরা দিত। পার্টির পর সর্পপ্রেমীরা খাওয়া-দাওয়া করতেন। মাত্র একবার বা দুবার নয়ডায় এসেছেন। তিনি বিদেশেও গেছেন, তিনি সাপকে ভয় পান না।

তবে নয়ডা পুলিশের মতে, এলভিশ ভয়ঙ্কর উপায়ে প্রাণীদের সঙ্গে ভিডিও শুট করে গুরুতর অপরাধ করেছে। এই ক্ষেত্রে, জয়পুরের ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির রিপোর্টে দেখা গেছে যে নয়ডার ব্যাঙ্কয়েট হলে রাহুলের কাছ থেকে যে তরল পাওয়া গেছে তা ছিল বিষ এবং তা ছিল কোবরা, ক্রাইট, রিগেলস, ভাইপারের মতো সাপের বিষ। এলভিশ বিদেশ থেকে যুবক-যুবতীকে ডেকে নিষিদ্ধ সাপের ভিডিও শূট করাতেন। তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তারা সাপ থেকে বিষ আহরণ করত, তাদের থেকে বড়ি তৈরি করত এবং নেশা হিসাবে ব্যবহার করত। বিনয় যাদব এবং ঈশ্বর যাদব এই ধরনের রেভ পার্টির আয়োজন করতেন এবং সেই পার্টির জন্য বিষধর সাপ অর্ডার করতেন। ওই সাপের বিষ মাদক হিসেবে ব্যবহার করা হতো। সাপ গুরগাঁও-জয়পুর থেকে আনা হত। রাহুল এলভিশের নির্দেশে, টাকার লোভে কাজ করতেন। তিনি বহুবার বিষাক্ত সাপ এবং সাপের বিষ খেয়েছেন। আর এর জন্য বেশ ভালো পারিশ্রমিক পেতেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00