নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: কোটা সংস্কার আন্দোলনে যখন অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ঠিক তখনই নিজেকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালায় শেখ হাসিনা। এরপরেই আন্দোলন আরও তীব্র হয়। দেশের ঠিক সেই সময়ই বহুবছর পর জেল থেকে বেকসুর খালাস করা হয় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। যাই হোক, শেখ হাসিনা এখনও দেশে না ফিরলেও বাংলাদেশ মোটামুটি এখন শান্ত। কিন্তু একটি হত্যা মামলায় সম্প্রতি শেখ হাসিনা সহ তার দলের একাধিক নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যাদের মধ্যে অভিনেতা ফেরদৌস, ক্রিকেটের সাকিব আল হাসানও রয়েছেন। এদিকে BNP চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে হওয়া গত ৯ বছরের একটি মামলা পুনরায় জেগে উঠল।
জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত পথসভায় বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিরা অস্ত্রসহ তার গাড়িবহরে হামলা চালায়। এবং তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাই খালেদা জিয়াকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিনেতা জায়েদ খান, শাহরিয়ার নাজিম জয়, সাজু খাদেমসহ প্রায় ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী আল ফারাবীর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার (২৫ আগস্ট) জিয়া খালেদার পক্ষের ব্যান্ডশিল্পী আসিফ ইমামের জবানবন্দি গ্রহণ করে তাঁর অভিযোগটি মতিঝিল থানা পুলিশকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হবে। মামলার আরও উল্লেখযোগ্য অভিযুক্তরা হলেন– শেখ সেলিম, শেখ হেলাল, কর্নেল ফারুক খান, ফজলে নূর তাপস, নিক্সন চৌধুরী, সাঈদ খোকন, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন ও বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।
খালেদা জিয়ার পক্ষের ব্যান্ডশিল্পী আসিফ ইমাম অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত পথসভায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে আসামিরা অস্ত্রসহ তার গাড়িবহরে হামলা চালায় এবং তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনার ৯ বছর পর মামলাটি আবারও আদালতে উঠেছে। জানা গিয়েছে, এসময় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের ১২-১৪টি গাড়ি ভাঙচুর করে অভিযুক্তরা, চারটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয় এবং নেতাকর্মীদের মারধর করেন। যাতে খালেদা জিয়ার নিরাপত্তারক্ষীরা আহত হন। তবে খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে আসামিরা ইট-পাথর নিক্ষেপ করে সাধারণ পথচারীদের আঘাত করেন।