Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও গর্ব সুচিত্রা সেন, পাবনায় মহানায়িকার নবম প্রয়াণ দিবস পালন

১৯৬০ সালে তাঁরা পাবনার বাড়িটি জেলা প্রশাসনের কাছে ভাড়া দিয়ে কলকাতায় চলে যান। ১৯৮৭ সালে জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত ইমাম গাজ্জালী ট্রাস্ট বাড়িটি ইজারা নেয়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি,পাবনা: বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অলংকার বলা চলে তাঁকে। মহানায়িকা বলে কথা। উত্তম-সুচিত্রা প্রতিটি বাঙালিদের কাছে আবেগ, ইমোশন। ইন্ডাস্ট্রি তে প্রবেশের আগে সুচিত্রা সেনের আসল নাম ছিল রমা সেন। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি চলচ্চিত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সুচিত্রা সেন। মহানায়ক উত্তমকুমারের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রায় ৬১ টি ছবি করেছেন তিনি। সেই তুলনায় হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে দশটির বেশি ছবি নেই বললেই চলে তাঁর। তবে যাই হোক না কেন, বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অলংকার উত্তম-সূচিত্রা জুটি। ইতিহাস হয়ে রয়ে যাবেন তাঁরা। ১৯৬৩ সালে উত্তমকুমারের বিপরীতে ‘সাত পাকে বাঁধা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পান অভিনেত্রী। বিশেষত উত্তমকুমার-এর সঙ্গে জুটি বেঁধেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেন সুচিত্রা সেন।

১৯৭২ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রদান করা হয় তাঁকে, কিন্তু ২০০৫ সালে তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব প্রদান করা হলেও, জনসমক্ষে আসতে চাননি বলে সেই পুরস্কার তিনি গ্রহণ করেননি। তবে ২০১২ সালে বঙ্গভূষণ প্রদান করা হয়ে অভিনেত্রীকে। ১৯৫২ সালে ‘শেষ কোথায়’ ছবির মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ মহা নায়িকার। সেই ছবি মুক্তি না পাওয়ায়, পরবর্তীতে উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে লাইমলাইটে আসেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্র জগতে আজও তাঁর সর্ব সেরা, তাঁদের কাছাকাছিও এখনও পৌঁছতে পারেননি কেউ। প্রায় ২০ বছর তাঁরা বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে আগলে রাখেন। তবে ২৫ বছর অভিনয়ের পর ১৯৭৮ সালে অবসর গ্রহণ করেন অভিনেত্রী।

তারপরে লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন তিনি। বাংলাদেশের পাবনা শহরে মহানায়িকার জন্ম। দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। পরে পাক-ভারত বিভাজনের সময়ে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন নায়ক। এরপর ১৯৪৭ সালে আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে রমার বিয়ে হয়। স্বামীর পদবী অনুসারে মহা নায়িকার নাম হয়, রমা সেন। এরপর তাঁর নামের পরিবর্তন হয়ে সুচিত্রা সেন হয়। শ্বশুর ও স্বামীর অনুমতি নিয়েই চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন অভিনেত্রী।

তারপরের কাহিনী আপনারা মোটামুটি সবাই জানেন। ২০১৪ সালে ১৭ই জানুয়ারী সকাল ৮ টা ২৫ মিনিট নাগাদ মারা যান অভিনেত্রী। মৃত্যুর আগে তাঁকে কেউ আর দেখতে পারেননি। কিংবদন্তি মহানায়িকা আদতে পাবনার কন্যা। তাই তাঁর নবম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আগামীকাল ১৭ জানুয়ারী সুচিত্রা সেনের স্মৃতিতে বাংলাদেশের পাবনার সংরক্ষণ পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

সকাল সাড়ে ১০টায় মহানায়িকাকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর স্মরণসভা ও সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্রের গানের পরিবেশন করবে শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকবেন দেশের গণ্যমানের ব্যক্তিত্বরা। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেরও গর্ব তিনি। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনা জেলা শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে পৈতৃক বাড়িতে সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেন। সুচিত্রা সেনের মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ ও বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত পাবনা পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক ছিলেন।

 

১৯৬০ সালে তাঁরা পাবনার বাড়িটি জেলা প্রশাসনের কাছে ভাড়া দিয়ে কলকাতায় চলে যান। ১৯৮৭ সালে জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত ইমাম গাজ্জালী ট্রাস্ট বাড়িটি ইজারা নেয়। ২০০৯ সালে পাবনাবাসী বাড়িটি দখলমুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ২০১৪ সালের ১৬ জুলাই দখলমুক্ত হয়ে জেলা প্রশাসন বাড়িটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00