নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মণীশ শিশোদিয়ার পর এবার দিল্লির আবগারি নীতি কেলেঙ্কারিতে জামিন পেলেন কে. কবিতা। মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্ট দিল্লির আবগারি নীতি মামলায় ভারত রাষ্ট্র সমিতি (BRS) নেতা কে.কবিতাকে জামিন দিয়েছে। সংবাদ সূত্রের খবর, সুপ্রিমকোর্ট ইডি ও সিবিআই উভয় মামলায় ১০ লাখ টাকার বন্ডে কে কবিতাকে জামিন দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁকে নিম্ন আদালতে পাসপোর্ট জমা দিতে বলা জেগে। তার জামিন মঞ্জুর করার সময়, আদালত বলেছে যে, এটা বলা যাবে না যে তিনি শিক্ষিত বা একজন বিধায়ক বা সাংসদ, তাকে পিএমএলএ আইনের বিধানের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে। সঙ্গে মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত সিবিআই ও ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে, কে কবিতা কেলেঙ্কারিতে আদেউ জড়িত ছিল কিনা সেই প্রমাণের উপাদানগুলি খতিয়ে দেখতে এবং আদালতে পেশ করতে। সুপ্রিম কোর্ট আরও বলছে, ইতিমধ্যেই প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে তবে বিচারে সময় লাগবে। তবে হাইকোর্টের জামিন মঞ্জুর করার আদেশ জামিনের আইনগত নীতিকে অস্বীকার করে।
বিচারপতি বিআর গাভাই এবং কে ভি বিশ্বনাথনের একটি বেঞ্চ কথিত কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত দুর্নীতি এবং অর্থ পাচারের মামলায় জামিন চেয়ে কবিতার আবেদনের শুনানি করেছিল। যেটি সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তদন্ত করছে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর, কে কবিতার পক্ষ নিয়ে বিআরএস দলের সদস্য কৃশাঙ্ক পোস্ট করেছেন যে, “১৬৪ দিনের জেল। কোনও প্রমাণ পেশ করা হয়নি। এমনকি তার বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগও প্রমাণ করা যায়নি। বিজেপি হেরেছে, কবিতা জিতেছে। ধন্যবাদ সুপ্রিম কোর্ট।”
সিনিয়র আইনজীবী মুকুল রোহাতগি জানিয়েছেন, কবিতার বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শেষ করেছে ED ও CBI। এরপরেই তাঁকে জামিন দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তিনি কবিতার বিরুদ্ধে ওঠা প্রমাণ লুকানোর জন্যে ফোন ভেঙে ফেলার অভিযোগকেও ভুয়ো বলে দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, কে কবিতা সম্পর্কে ইডি দাবি করেছিল যে, ‘সাউথ গ্রুপ’ আম আদমি পার্টির নেতাদের জন্য বিজয় নায়ার এবং অন্যান্যদের ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে। কবিতা এই দক্ষিণ দলের একটি অংশ ছিল।এই দলে রয়েছে দক্ষিণের রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীরা। ইডি অনুসারে, কে কবিতা ১৯-২০ মার্চ ২০২১-এ অভিযুক্ত বিজয় নায়ারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এরপর কবিতাকে এই বছরের ১৫ মার্চ হায়দরাবাদ থেকে ইডি গ্রেপ্তার করেছিল।