Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

Same Sex Marriage, রায় পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

গতবছর Same Sex Marriage বা সমলিঙ্গ বিবাহকে ঘিরে যে রায় সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছিল, সেটাই ফের খুঁটিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট, আগামী ১০ জুলাই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: Pride Month চলে গিয়েছে। কিন্তু তারপরে পরেই মিললো খুশির খবর। সেই খুশির খবর দেশের তামাম রামধনু পরিবারের(Rainbow Family) সদস্যদের জন্য। LGBTQ-দের জন্য। বলা যেতে পারে, নতুন করে আরও একটা আশা মনের অন্তরে জাগিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যে আশার দীপ নিভেছিল ২০২৩ সালে সুপ্রিম রায়ের মধ্যে দিয়ে সেই আশাই আবার প্রদীপ করে জ্বালিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। আরও বলা ভাল দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গতবছর Same Sex Marriage বা সমলিঙ্গ বিবাহকে ঘিরে যে রায় দেওয়া হয়েছিল সেই রায় পুনর্বিবেচনা করা হবে। এবারেও সেই রায় খতিয়ে দেখবেন সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের বেঞ্চ। আগামী ১০ জুলাই সেই মামলার পুর্নবিবেচনা করতে চলেছে শীর্ষ আদালত।

২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের(Chief Justice D Y Chandrachud) নেতৃত্বে ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ রায় দিয়েছিল, একমাত্র সংসদ বা বিধানসভাই সমপ্রেমের বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে পারে। আদালত আইন তৈরি করতে পারে না, ব্যাখ্যা করতে পারে মাত্র। সমলিঙ্গ বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কমিটিকে পদক্ষেপও করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। বিষয়টি কার্যত ছেড়েই দেওয়া হয়েছিল আইনসভার হাতেই। কিন্তু কিছুই হয়নি। তবে সেবারের রায়ের পরে কান্নায় ভেঙে পড়লেও হতাশার সমুদ্র থেকে আবারও উঠে দাঁড়িয়েছেন দেশের রামধনু পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা ফের দেশের শীর্ষ আদালতে আবেদন জমা করেন রায় পুনর্বিবেচনার জন্য। সেই ডাকেই সাড়া দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১০ তারিখ তাই দেশের রামধনু পরিবারের সদস্যরা সবাই তাকিয়ে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের দিকে। যদি আশার প্রদীপ মশাল হয়ে জ্বলে ওঠে।

২০২৩ সালে Same Sex Marriage নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ যে রায় দিয়েছিল তা ছিল ৫জন বিচারপতির রায়। সেই রায় প্রদান করেছিলেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি হিমা কোহলি, বিচারপতি পি এস নরসিংহ, বিচারপতি সঞ্জয় কিষেণ কউল এবং বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট। কিন্তু এবারে প্রধান বিচারপতি যে ৫ সদস্যের বেঞ্চ গড়েছেন সেখানে তিনি নিজে ছাড়াও থাকছেন বিচারপতি হিমা কোহলি, বিচারপতি পি এস নরসিংহও। বাকি দুই জায়গায় ঘটেছে পরিবর্তন। বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল এবং বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্টের বদলে থাকবেন বিচারপতি বি ভি নাগরত্ন ও বিচারপতি সঞ্জীব খন্না। আগের রায়ে সমলিঙ্গের বিয়েতে স্বীকৃতি না দিলেও শীর্ষ আদালত একসঙ্গে বসবাস করায় সম্মতি দিয়েছিল। এমনকি এটাও জানিয়েছিল যে, সমলিঙ্গ দম্পতিকে কোনও রকম ভাবে হেনস্থা করা যাবে না।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, সমকামিতা অথবা ছক ভাঙা যৌন রুচি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। সেই অনুসারে কোনও সম্পর্কের অধিকারের কোনও তারতম্য হতে পারে না। ৫ বিচারপতি কিছু বিষয়ে সহমত হয়েছিলেন, কিছু বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। তবে, একটা বিষয়ে ৫ বিচারপতিই একমত ছিলেন যে, সমলিঙ্গে আকর্ষণ একটি স্বাভাবিক বিষয়, কোনও ‘আধুনিক শহুরে অভ্যাস’ নয়। পাশাপাশি, স্রেফ বিষমকামী যুগলই সন্তানকে স্থিতিশীল জীবন দিতে পারেন, এই তত্ত্ব মানতে চাননি প্রধান বিচারপতি। তাঁর রায়ে তিনি বলেছিলেন, সমপ্রেমী যুগলদের আইনি স্বীকৃতি চাওয়ার অধিকার রয়েছে। বিচারপতি কউল তাতে সহমত হন। কিন্তু বিচারপতি নরসিংহ, বিচারপতি ভাট ও বিচারপতি কোহলি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন বিয়ের স্বীকৃতির বিষয়টি নিয়ে আদালত কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

যেহেতু সম্পর্কের অধিকার নিয়ে বিচারপতিদের মধ্যে কোনও দ্বিমত হয়নি তাই আদালত এই বিষয়টিতে জোর দিয়েছিল যে, সংসদে আইন পাস করার মাধ্যমে সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনও উপায় করা যায় কি না। প্রসঙ্গত, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, দ্রুত একটি কমিটি তৈরি হবে সমলিঙ্গ বিবাহ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের জন্য। গত বছর রায়ের সময়েই কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কোনও পদক্ষেপ করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মধ্যে। রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই আবেদন গৃহীত হয় শীর্ষ আদালতে। বাস্তবেও কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন সরকার এখনও Same Sex Marriage নিয়ে কোনও পদক্ষেপই করেনি। আগামী দিনেও করবে বলে মনে হয় না। বরঞ্চ তাঁরা সর্বশক্তি দিয়ে বিরোধিতাই করে যাবে Same Sex Marriage নিয়ে। দেখার বিষয়, কার্যত শেষ আশা, সুপ্রিম কোর্ট এবারেও কী বিষয়টি রাজনীতির নেতাদের হাতে ছেড়ে দেয় নাকি নিজেরা কোনও ঐতিহাসিক কোনও রায় দেয়।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00