Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

দু দশক ধরে পরিবারের ৫ সদস্যকে একে একে খুন, অবশেষে গ্রেফতার খুনি

গাজিয়াবাদ(রুরাল) পুলিশ সুপার ইরাজ রাজা এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন, এতদিন ত্যাগী পরিবার বুঝতেই পারেনি যে লিলুই আসলে এই হত্যালিলার মূল মাথা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দাবি একটাই, সম্পত্তি কারোর সঙ্গে ভাগ করবেন না। সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবে তার একমাত্র ছেলে। আর তাই ঠাণ্ডা মাথায় দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এক এক করে পরিবারের সকল সদস্যকে খুন করেছে গাজিয়াবাদের লিলু ত্যাগী। যাতে পরিবারের কোনও সদস্যকেই সম্পত্তির কোনও ভাগ না দিতে হয় তার জন্যই এই পরিকল্পনা। অবশেষে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই হত্যালিলা চালানোর পরে বুধবার লিলুকে গ্রেফতার করেছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। ৪৮ বছর বয়সী লিলু ২০ বছর ধরে একে একে তাঁর নিজের ভাই, ভাইয়ের দুই মেয়ে এবং নিজের সৎ দুই মেয়েকে খুন করেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

গাজিয়াবাদ(রুরাল) পুলিশ সুপার ইরাজ রাজা এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন, এতদিন ত্যাগী পরিবার বুঝতেই পারেনি যে লিলুই আসলে এই হত্যালিলার মূল মাথা। পুলিশ জেনেছে, মূলত সম্পত্তির লোভেই সে একের পর এক পরিবারের সদস্যকে খুন করেছে। তার ছেলে বিভোর যাতে গোটা সম্পত্তিটাই পায় সেকারনে যাবতীয় উত্তরাধিকারদের একে একে সরিয়ে ফেলার ছক কষেছিল সে।  

এই ঘটনার সূত্রপাত ২০০০ সালে।  লিলু তাঁর নিজের ভাই সুধীরকেই প্রথম টার্গেট করেছিল। ২০০০ সালে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যান সুধীর। এরপর সুধীরের বউ অনিতাকে বিয়ে করে লিলু। সুধীরের দুই মেয়েকেও সে নিজের কাছে রাখত। পুলিশি জেরায় লিলু স্বীকার করেছে যে, দেশি পিস্তল দিয়ে সুধীরকে সে খুন করেছিল। এরপর সুধীরের সম্পত্তির পাশাপাশি তার বউকেও সে পেয়ে যায়। কিন্তু তখনও সম্পত্তির উত্তরাধিকার থাকছে সুধীরের দুই মেয়ে। আর তাই পথের কাঁটা সরাতে তাঁদেরও একে একে খুন করে লিলু। ২০০৩ সালে সুধীরের বড় মেয়ে পায়েলকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলে লিলু। পরিবারকে জানায় বিষাক্ত পোকার কামড়ে মারা গিয়েছে পায়েল। এর পরের বছরই পায়েলের দিদি পারুলকে শ্বাসরোধ করে খুন করে লিলু। তাঁর যাতে কেউ খোঁজ না করে তাই পাড়ায় রটিয়ে দেয় অন্য কারোর সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছে পারুল। স্থানীয় খালে সে পারুলের দেহ ফেলে দেয়। এরপর ত্যাগীর ১৪ বছরের সন্তান নীশুকেও ভাড়াটে খুনী দিয়ে খুন করায় লিলু। তখন অবশ্য থানায় এফআইআর করেছিলেন ত্যাগী। এরপর কিছুদিন আগে ত্যাগীর বড় ছেলে রীশু খুন হলে ত্যাগী পরিবার ক্রমশ লিলুকে সন্দেহ করতে শুরু করে। এরপরই তদন্তে নেমে পুলিশের কাছে গোটা বিষয়টি পরিষ্কার হয় এবং লিলুকে গ্রেফতার করা হলে সে জেরার মুখে পড়ে সবটা স্বীকার করে। তবে পরিবারের সদস্যদের এইভাবে খুন করে সে খুবই দুঃখিত, পুলিশি জেরায় জানিয়েছে লিলু। 

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00