নিজস্ব প্রতিনিধি: কী কাণ্ড, প্রেমিকার সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হবেন বলে মদে মিশিয়েছিলেন যৌনশক্তি বৃদ্ধির ওষুধ। আর এই ওষুধ খেয়েই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লখনউয়ের এক যুবক। তবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের একটি হোটেলে। প্রাথমিক সূত্রের খবর, পুলিশ যুবকের হোটেল কক্ষ থেকে মদের বোতল এবং ওষুধের পাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। যে ওষুধগুলি যৌনশক্তি বৃদ্ধির ওষুধ ছিল। ঘটনার দিন যুবক তাঁর প্রেমিকাকেও ফোন করে হোটেলে ডেকেছিলেন। আর তাঁর আসার আগেই যুবক মদের সঙ্গে যৌনশক্তি বৃদ্ধির ওষুধ মিশিয়ে খেয়েছেন বলে অনুমান পুলিশের।
ঘটনাটি ঘটেছে গোয়ালিয়র শহরের থাটিপুরে অবস্থিত ম্যাক্সন হোটেলে। যুবকের নাম দিব্যাংশু, তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে ভালপদে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ব্যবসায়িক সফরে গোয়ালিয়রে গিয়েছিলেন দিব্যাংশু। আর অফিসের কাজ সেরেই হোটেলে প্রেমিকার সঙ্গে ফুর্তি করবেন বলে পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।সেইমতো মঙ্গলবার রাতে দিব্যাংশু দিল্লিতে তাঁর প্রেমিকাকে ফোন করে গোয়ালিয়রে আসতে বলেন। আর গার্লফ্রেন্ড আসার আগে থেকেই মদ খেতে শুরু করেন দিব্যাংশু, সঙ্গে খান যৌনশক্তি বাড়ানোর ওষুধও। গার্লফ্রেন্ড আসার পর প্রায় এক ঘণ্টা তাঁরা দুজন হোটেলের ভেতরেই অবস্থান করেন। এরপর রাত ১১টার পর হঠাৎ করেই দিব্যাংশুর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। দিব্যাংশু উঠে বসে পড়েন এবং তাঁর শরীর কাঁপতে শুরু করেছিল এবং তিনি ঘামতে শুরু করেন।
স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রেমিকা ভয় পাই হোটেল কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং তাঁরা দিব্যাংশু কে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়, এরপর পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু চিকিৎসা শুরু করার আগেই দিব্যাংশুর মৃত্যু হয়। তবে পুলিশ, প্রাথমিক ভাবে দিব্যাংশুর দিল্লি থেকে আসা প্রেমিকাকে সন্দেহ করছেন। এবং পুলিশ তাঁকে বিশেষ নজরদারিতে রেখেছেন। এছাড়া নিহতের পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকের অনুমান, নেশার পর যৌনশক্তির ওষুধ মাত্রাতিরিক্ত সেবনের কারণেই যুবকের মৃত্যু হতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এএসপি অখিলেশ রেনওয়ালের জানিয়েছেন, লখনউ থেকে মৃতের পরিবার আসার পরেই তাঁর দেহ ময়না তদন্ত করা হবে। পুলিশ নিহতের বান্ধবীকে হোটেল থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নজরদারিতে নিয়ে গেছে।