নিজস্ব প্রতিনিধি: আরজেডি (RJD) সভাপতি ও বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের ( Lalu Prasad yadav) শারীরিক অবস্থার অবনতি। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। পাটনার চিকিৎসকরা লালু প্রসাদ যাদব দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে, রাবড়ির বাসভবনে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। আজ বুধবার তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতির জন্য নাম উঠে এসেছে লালু প্রসাদ যাদবের। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনও একাধিকবার দুর্নীতি নামক মোহের জালে জড়িয়েছিলেন তিনি। ৭৬ বছর বয়সে এসেও দুর্নীতি পিছু ছাড়ছে না তাঁর।
২০০৪ সালে ইউপিএ সরকারের আমলে মনমোহন সিং যখন প্রধানমন্ত্রী সেই সময় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব। অভিযোগ, সেই সময় নাকি বেশ কিছু প্রার্থীকে রেলের গ্রুপ-ডি পোস্টে চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে তাদের থেকে জমি নিয়েছিলেন তিনি। তাও আবার একেবারে নামমাত্র মূল্যে।
এই জমির বিনিময়ে চাকরি (Land for Jobs) মামলা নিয়েই চলছে জেরা। তাতেই কি অসুস্থ হলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? নিন্দুকরা বলছে অনেক কিছুই। প্রসঙ্গত, বিহারে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন লালু প্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে উঠেছিল পশুখাদ্য দুর্নীতির অভিযোগ। সেই মামলায় জেল হেফাজতও হয়েছিল তাঁর।
মহাকুম্ভের সময় বিজেপিকে তীব্র ভাবে আক্রমণ করেছিলেন লালু। মহাকুম্ভে যাওয়ার জন্য নয়াদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে আঙুল তুলেছিলেন আরজেডি সভাপতি। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব মহাকুম্ভকে ‘ফালতু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।