Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রিয়েল ‘দৃশ্যম’, নিখোঁজের ১৩ মাস বাদে ঘরের দেওয়াল থেকে উদ্ধার মহিলার কঙ্কাল

সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর্দা ফাঁস করলেন রাজস্থানের জুনাগড় পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার ১৩ মাস পর ঘরের দেওয়াল ভেঙে মিলল এক মহিলার কঙ্কালসার দেহ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবৈধ সম্পর্কের পরিণতি মৃত্যু! অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম’ সিনেমার প্রতিচ্ছবি আবারও বাস্তবে। সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর্দা ফাঁস করলেন রাজস্থানের জুনাগড় পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার ১৩ মাস পর ঘরের দেওয়াল ভেঙে মিলল এক মহিলার কঙ্কালসার দেহ। প্রায় ১৩ মাস তদন্তের পর অবশেষে মহিলার দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি খুনিকেও খুঁজে বের করলেন জুনাগড় থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, মহিলা নিখোঁজের প্রথমদিন থেকেই পুলিশের নজরে ছিলেন প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তি হার্দিক সুখাদিয়া (২৮)। যিনি একটি মনগড়া গল্প বানিয়ে পুলিশকে রীতিমতো বোকা বানিয়ে যাচ্ছিলেন দিনের পর দিন। অবশেষে ফাঁস হল তাঁর কীর্তি।

ঘটনাটি জুনাগড়ের বিশাভাদর তালুকের রূপবতী গ্রামের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী বিবাহিত মহিলা দয়া সাভালিয়াকে কেন্দ্র করে। যিনি ২০২৪ সালের ২ জানুয়ারি নিখোঁজ হয়েছিলেন। সেদিন সকাল ৯টা নাগাদ তিনি ৯.৬০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং নগদ অর্থ নিয়ে স্বামীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। এরপর তার স্বামী বল্লভ বিসাবাদর থানায় স্ত্রীর নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের ১১ বছর বয়সী ছেলের কথা ভেবে পুলিশকে তদন্ত জোরদার করতে বলেন দয়ার স্বামী। তদন্ত চলাকালীন, পুলিশ জানতে পারেন যে, একই গ্রামের বাসিন্দা হার্দিক সুখাদিয়ার সঙ্গে দয়ার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল।

এরপর হার্দিককে জেরা শুরু করলে তিনি জানান, দয়া একই সঙ্গে তাঁর এবং রাহুল নামের একজনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তাই রাহুলের সঙ্গেই পালিয়ে গিয়েছেন দয়া, তাই এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। এমনকী পুলিশ যাতে তাঁকে সন্দেহ করতে না পেরে, সেই কারণে তিনি মোবাইল ফোনও ব্যবহার বন্ধ রেখেছিলেন। এরপর পুলিশ হার্দিকের এলভিএ পরীক্ষা করে, কিন্তু সেটাতেও তিনি উত্তীর্ণ হন। সুতরাং পুলিশের কাছে বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং ছিল। এরপর তদন্তের দায়িত্ব নেন ইন্সপেক্টর যতীন প্যাটেল। তিনি দয়াকে খুঁজে বের করার জন্য বিশেষ দল গঠন করেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত এবং পরিস্থিতিগত প্রমাণ সংগ্রহের পর, পুলিশ কৌশলগতভাবে হার্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

একগুচ্ছ প্রমাণের মুখোমুখি হয়ে, হার্দিক অবশেষে দয়াকে খুন করার কথা স্বীকার করেন। এবং গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরেলি ফায়ার ব্রিগেড এবং এফএসএল টিমের সহায়তায় দয়ার কঙ্কালসার দেহ উদ্ধার হয়। এবং পুলিশ ফরেনসিক পোস্টমর্টেমে পাঠায়। পুলিশের মুখোমুখি হয়ে হার্দিক দয়াকে খুন করার কারণ হিসেবে জানান, তিনি দয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী ছিল না। কিন্তু দয়া নাছোড়বান্দা ছিলেন। তাই তাঁকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক। ২০২৪ সালের, ৩ জানুয়ারী, সে দয়াকে আমরেলি জেলার হাদালা গ্রামের উপকণ্ঠে নিয়ে গিয়ে পাথর দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে খুন করেন। তারপর প্রমাণ নষ্ট করার জন্য তার দেহ একটি কূপে ফেলে দেয়। হত্যার একদিন আগে ভুয়ো আইডি কার্ড নিয়ে তিনি দয়ার সঙ্গে হোটেলৈ রাত্রিবাস করেন। সুতরাং অবৈধ সম্পর্ক এবং অতিরিক্ত লালসার জেরে অকালেই প্রাণ হারাতে হল ওই মহিলাকে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00