Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঘটকালি সাইটে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২ কোটি ৬৮ লাখ হাতিয়ে নিল সাইবার ঠগরা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে বিয়ের নামে প্রতারণার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানকার ক্রাইম ব্রাঞ্চ একটি ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে বিয়ের নামে ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশি রিমান্ডে থাকাকালীন দুজনেই এমন সব তথ্য ,দিয়েছে যা শুনে আধিকারিকদের চোখে সর্ষেফুল দেখার মতো অবস্থা।

সম্প্রতি ক্রাইম ব্রাঞ্চ ম্যাট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইটে জালিয়াতির অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আহমেদাবাদ থেকে একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। সিমরন নামে এক মহিলাকে ইন্দোর থেকেই ক্রাইম ব্রাঞ্চ গ্রেফতার করে। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। সেখান থেকে অভিযুক্তদের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এই সময়কালে দুই অভিযুক্ত বহু তথ্য প্রকাশ করে। ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা প্রতারনার অভিযোগ রয়েছে

অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক ভেঙ্কট কালাগা বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনায় একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে কর্মরত। বিয়ের জন্য জীবনসঙ্গী খুঁজছিলেন তিনি। ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে তাই নিজের প্রোফাইল তৈরি করেন। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর মন কেড়ে নেয় অন্য আর একটি প্রোফাইল। এক সুন্দরী যুবতী, ব্যক্তিত্বময়ী, সরল কথাবার্তা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ প্রবল। অচিরেই সে ভেঙ্কট কালাগারের মন কেড়ে নেয়। নাম বরখা জয়সওয়ানি, ইন্দোরের বাসিন্দা।

ভেঙ্কট নিজেই প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর হোয়াটস অ্যাপে নম্বর বিনিময়, কথা বলা শুরু। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়, বরখা জানায় সে বিয়ে করতে চায় ভেঙ্কটকে। কিছুদিনের মধ্যেই নিজের খারাপ লাগা, ভাল লাগা, অসুস্থতা, বাড়িতে আর্থিক সমস্যা, ঋণ, সর্বোপরি আমেরিকায় এসে দেখা করার ইচ্ছা সবই প্রকাশ করে। ফলে ভেঙ্কট তাঁর সঞ্চয় থেকে টাকা পাঠাতে থাকেন।

কখনও চিকিৎসার জন্য জরুরি প্রয়োজনে, কখনও বিমানের টিকিটের জন্য, কখনও বাড়ির জন্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত- ভেঙ্কট মোট ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিলেন। একসময় আমেরিকার প্রবাসী ভারতীয় তরুণটির সন্দেহ হতে শুরু করে। তিনি বারবার ভিডিও কল করার জন্য জোর দিতে থাকেন। এখানেই আসে কাহিনীর মোড়। ম্যাট্রিমোনিয়াল সাইটে দেওয়া ছবির সঙ্গে ভিডিও কলে বরখার মুখশ্রীর কোনও মিল ছিল না। যে পেশার কথা উল্লেখ করাও ছিল তাও সত্যি নয়, এমনটা জানতে পারেন ভেঙ্কট।

সন্দেহ আরও ঘনীভূত হতে থাকলে, ভেঙ্কট আমেরিকা থেকে ভারতে এসে সরাসরি ইন্দোর পুলিশের কাছে যান। তিনি ক্রাইম ব্রাঞ্চে অভিযোগ দায়ের করেন। ডিসিপি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রাজেশ ত্রিপাঠী বিষয়টি তদন্ত শুরু করেন এবং মামলাটি প্রকাশ্যে আসার সাথে সাথে সাইবার জালিয়াতির স্তরগুলি উন্মোচিত হতে থাকে।

গ্রেফতারের পর প্রকাশিত হয় নতুন তথ্য। অভিযুক্ত বিশাল ও সিমরনের রিমান্ড ১৫ তারিখ পর্যন্ত ছিল। তারপর সিমরনকে জেলে পাঠানো হয়েছে।  বিশালের রিমান্ড ২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের অ্যাকাউন্টে কোন কোন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা এসেছে, তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। আসলে, সন্দেহ করা হচ্ছে যে বিভিন্ন রাজ্য থেকে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে। পুলিশের সন্দেহ, এরা অন্যদের সাথেও প্রতারণা করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সিমরণ ও বিশাল  সফটওয়্যারের সাহায্যে কণ্ঠস্বর এক্সচেঞ্জ করে মানুষকে প্রতারণা করত।  বিশাল ও সিমরনের অন্যান্য সম্পত্তি এবং অ্যাকাউন্টের বিবরণ সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। গোটা বিষয়টি আরও ভালভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00