নিজস্ব প্রতিনিধি : দুর্গা মানে হল যিনি দুর্গতি নাশ অর্থাৎ সঙ্কট মোচন করেন! বলা হয়, সমস্ত দেবতার সম্মিলিত শক্তিতে দেবী দুর্গার সৃষ্টি। তিনিই হলেন দেবী পার্বতী। আবার মহাদবের সহধর্মীনী। আবার তারই একটা রুপ হল কালিরুপ। দেবী দূর্গা অসুরদের নিধন করে দেবতাদের বাসস্থান স্বর্গকে পুনরুদ্ধার করেন। সেই থেকে তিনি দূর্গা নামে পুজিত হন।শোনা যাচ্ছে পুজোর কাসর ঘন্টার আওয়াজ। আর বেশি দেরি নেই। এখন থেকেই ভেবে নিন কী নিবেদন করবেন মাকে। আপনি কী জানেন মহিষাসুরমর্দিনীর অন্যতম প্রিয় খাবার হল মুগ ডালের খিচুড়ি। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন মুগ ডালের খিচুড়ি।
উপকরণ : ২০০ গ্রাম গোবিন্দ ভোগ চাল, ২০০ গ্রাম মুগ ডাল, ২ কাপ সবুজ মটর, ৩ টো আলু, স্বাদ মতো লবণ ও শুকনো লঙ্কার গুড়ো, গোটা গরম মশলা,ধনে ও জিরে গুড়ো, আদা বাটা, হলুদ গুঁড়ো, তেজ পাতা, ঘি, টমেটো, সর্ষের তেল, শুকনো লঙ্কা, চিনি ও আদা বাটা।
প্রণালী : প্রথমে চাল এবং ডাল আলাদা করে ধুয়ে ভালো করে জল ঝরিয়ে শুকনো করে নিতে হবে।এবং আলু ডুমো করে কেটে রাখতে হবে। টমেটো গুলো কেটে নিন। মটর গুলোকে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন জলে।
এবার একটি পাত্রে অথবা কড়াইতে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে আলু গুলো হালকা করে একটু লবণ দিয়ে ভেজে তুলে নিতে হবে। তার পর ঐ তেলের মধ্যে শুকনো লঙ্কা, গোটা জিরে, তেজ পাতা ও গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিয়ে দিন। হালকা নেড়ে নিন। ভালো সুগন্ধ বের হলে ডাল গুলো দিয়ে দিন। এবার ডাল গুলোকে ভেজে নিন। এরপর ওর মধ্যে হলে জল ঝরানো চালটাও দিয়ে দিতে হবে। নেড়েচেড়ে নিন। এরপর ওর মধ্যে টমেটো কুচি ও আদার পেষ্ট সহ গোটা শুকনো লঙ্কা ও গুড়ো মসলা এবং স্বাদ মতো লবণ দিয়ে দিন। সব কিছু ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার গরম জল দিয়ে দিন পরিমাণমত। এরপর নেড়েচেড়ে ওর মধ্যে ভাজা আলু গুলো দিয়ে দিতে হবে। যদি একটু পাতলা খিচুড়ি পছন্দ হয় সেই হিসাবে জল দিতে হবে।
এবার মাঝারি আঁচে ঢাকা দিয়ে রান্না করে নিন। তবে তলায় যেন লেগে না যায়, মাঝে মাঝে একটু নাড়িয়ে দিতে হবে, অর্ধেক সেদ্ধ হলে তখন ভেজানো সবুজ মটর গুলো দিয়ে দিন ওর মধ্যে। তারপর আবারো ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে। যারা মিষ্টি পছন্দ করেন তারা এই সময় স্বাদ মতো চিনি ঘি ও গরম মশলা গুড়ো দিয়ে আবারো একটু ফুটিয়ে বন্ধ করে কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রাখলেই তৈরি সুস্বাদু খিচুড়ি। এবার গরম গরম নিবেদন করুন দেবীকে।