Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শীতলক্ষ্যায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবল লঞ্চ, শিশু-সহ চারজনের দেহ উদ্ধার

ফের ঘটে গেল ভয়াবহ লঞ্চডুবির ঘটনা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: ফের ভয়াবহ লঞ্চডুবির ঘটনা। রবিবার দুপুরে পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে গেল যাত্রীবাহী লঞ্চ। দুর্ঘটনার সময়ে লঞ্চটিতে শতাধিক যাত্রী ছিল। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই উদ্ধারকার্যে নেমেছেন দমকল কর্মী ও ডুবুরিরা। সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, শিশু-সহ চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে।

দমকলের জনসংযোগ আধিকারিক শাহজাহান সিকদার জানিয়েছেন, এদিন বেলা আড়াইটা নাগাদ নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার আল আমিন নগর ও সৈয়দপুরের মধ্যবর্তী এলাকায় নাসিম ওসমান সেতুর কাছাকাছি একটি পণ্যবাহী জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে এমভি আশরাফউদ্দিন নামে যাত্রীবাহী লঞ্চের। শতাধিক যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ পাঁচ নম্বর ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল লঞ্চটি। ধাক্কার পরেই লঞ্চটি ধীরে ধীরে ডুবে যেতে থাকে। লঞ্চে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী নদীতে ঝাঁপিয়ে প্রাণ বাঁচান। ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী কোনওক্রমে সাঁতরে নদীর তীরে উঠে এসেছেন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ডুবুরিরা উদ্ধারকার্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র একজন যাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি শুরু হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। উদ্ধারকার্যে উপকূলরক্ষী বাহিনীরও সাহায্য চাওয়া হয়েছে। লঞ্চের যাত্রী তথা দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ জনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লঞ্চটি ঠিকমতোই যাচ্ছিল। আচমকাই পিছন থেকে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ধাক্কা মারে। আর সেই ধাক্কা সামলাতে না পেরে লঞ্চটি ধীরে-ধীরে ডুবে যায়। কোনওক্রমে সাঁতরে প্রাণ বাঁচাতে পেরেছি।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00