Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মাগুরার‌ ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে দিদির শ্বশুরকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

অবশেষে ন্যায়বিচার পেল আছিয়া! মাগুরার ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অবশেষে ন্যায়বিচার পেল আছিয়া! মাগুরার ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত। শনিবার (১৭ মে) সাড়ে ৯ টা নাগাদ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারক জাহিদ হাসান এ রায় দিয়েছেন। গত মার্চে হওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় রীতিমতো কেঁপে উঠেছিল গোটা বাংলাদেশ। এই নিষ্পাপ শিশুর হত্যাকাণ্ডে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রিটি সকলেই। যেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন, শিশুটির দিদির শ্বশুর হিটু শেখ, দিদির স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং দিদির শাশুড়ি রোকেয়া বেগম। তবে আদালত এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এবং বাকি তিনি অপরাধীকে ‘বেকসুর খালাস’ করেছেন।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল ৮ বছরের আছিয়া। সেখানেই শিশুটির উপর পাশবিক যৌন নির্যাতন চালায় তাঁর দিদির শ্বশুর হিটু শেখ। এই ঘটনার পর মাগুরা-সহ গোটা বাংলাদেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এরপর শিশুটির মা আয়েশা আখতার অভিযুক্ত চার জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এরপর তাঁর অবস্থার অবনতি হলে আরও দুটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এবং ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। এবং গত ২৩ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এই মামলার বিচার কার্যক্রম। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। যাতে সাক্ষ্য দেন প্রায় ২৯ জন।

প্রায় ১২ দিন ধরে মামলা চলার পর অবশেষে প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়। এবং আদালত জানায়, নিষ্পাপ শিশুটিকে যেভাবে অমানবিক পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে, তাতে আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে। কারণ গোটা দেশ মূল অভিযুক্তের দ্রুত বিচারের দাবি করেছেন। রিমান্ড চলাকালীন গত ১৫ মার্চ হিটু শেখ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তি জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় তিনি একাই অভিযুক্ত। এরপরেই ২৩ এপ্রিল চার্জ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল চার জনের সাক্ষ্য প্রদানের ভিত্তিতে সাক্ষীর কার্যক্রম শুরু হয়। ৭ মে সাক্ষ্য পর্ব শেষ হয়। ৮ মে আসামিদের ফৌজদারি কার্যবিধির পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ১২ ও ১৩ মে যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়। অবশেষে নিষ্পাপ শিশুটিকে হত্যার দায়ে এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মেডিকেল অ্যাভিডেন্স ও সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে তাঁর দিদির শ্বশুরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল এবং বাকি তিন অপরাধিকে ছেড়ে দেওয়া হল।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00