Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বাংলাদেশে ফের সেনার বিশেষ ক্ষমতা বাড়ল ৬০ দিন, মিলল গুলি চালানোর অধিকার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: গদি আঁকড়ে রাখতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা ফের একবার বাড়াল মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। আজ রবিবার (১২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রকের তরফ থেকে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা ৬০ দিনের জন্য বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। অর্থা‍ৎ আরও ৬০ দিন রাজপথে থাকার বিশেষ অধিকার পেল সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা। আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষার দোহাই পেড়েই বিশেষ ক্ষমতার মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা বলে সাধারণ মানুষকে গ্রেফতারের পাশাপাশি যে কোনও আন্দোলন মোকাবিলায় গুলিও চালানোর অধিকার পেল তিন বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

গত জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলন হিংসাশ্রয়ী হয়ে উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশ জুড়ে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন ত‍ৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১৯ জুলাই সারা দেশে সেনা মোতায়েন করেছিলেন। মূলত পুলিশকে সাহায্যের জন্য সেনা সদস্যদের রাজপথে নামানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে উল্টো ফল হয়। রাজপথে নেমে আন্দোলনকারী ও জঙ্গিদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে সরাসরি মদত দিতে থাকেন জামায়াত ইসলামী মনোভাবাপন্ন সেনা আধিকারিক ও জওয়ানরা। ৫ অগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পরে বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভাঙার কাজেও হাত লাগান সেনা সদস্যরা। এক লেফটেন্যান্ট কর্নেলের উদ্যোগে পুড়িয়ে দেওয়া হয় মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার হিসাবে পরিচিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর বাড়ি।

গত ৮ অগস্ট মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃতগ্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরে সেনাবাহিনী ফের তাঁবুতে ফিরে যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু তাঁবুতে সেনা সদস্যদের ফেরাতে রাজি হননি সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। উল্টে ইউনূসকে চাপ দিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর জন্য বিশেষ ক্ষমতা আদায় করে নেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর নৌ ‌ও বিমানবাহিনীর আধিকারিকদেরও বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়। এর পর গত ১৬ নভেম্বর ফের দুই মাসের জন্য সেনাকে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। আগামী মঙ্গলবার ১৪ জানুয়ারি ওই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার ৪৮ ঘন্টা আগেই সশস্ত্র বাহিনীকে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতার মেয়াদ আরও দুই মাসের জন্য বাড়ানো হল। বিশেষ ক্ষমতার বলে সেনাবাহিনীর জুনিয়র আধিকারিকরা বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অধিকার পেলেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫ (২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অধীন অপরাধগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন সেনাবাহিনীর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পাওয়া আধিকারিকরা। অর্থা‍ৎ এখন থেকে সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত জুনিয়র আধিকারিকরা যে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন। ওই গ্রেফতারির জন্য কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। সেনাবাহিনীকে বার বার বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের পিছনে অশনিসঙ্কেত দেখছে বিএনপি-সহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তাঁরা  ১/১১-র গন্ধ পাচ্ছেন।

যদিও গত পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সেনা সদস্যরা রাস্তায় থাকলেও আইনশৃঙ্খলার বিশেষ কোনও উন্নতি হয়নি। বরং দিনের পর দিন অবনতিই ঘটছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেনা সদস্যদের পুলিশের মতোই তোলাবাজি, গুন্ডামি করতে দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, সেনা সদস্যদের রাস্তায় রেখে কী লাভ? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার মতোই গদি থেকে উচ্ছেদ করার ভয় দেখিয়ে মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্ল্যাকমেল করছেন জামায়াত ইসলামীর কট্টর সমর্থক হিসাবে পরিচিত সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00