Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘সিনেমার যাত্রা সীমাহীন’, সেই যাত্রাপথকে অসমাপ্ত রেখেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন তরুণ মজুমদার!

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রয়াত বর্ষীয়ান পরিচালক তরুণ মজুমদার। আজ সকাল ১১.১৭ মিনিট নাগাদ তাঁর জীবনাবসান হয়। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় বিনোদন জগতের একটি যুগের অবসান হল। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক সুপারহিট ছবি তাঁর হাত ধরেই মুক্তি পেয়েছে। ইন্ডাস্ট্রি পেয়েছে একাধিক তারকা।যার হাত ধরেই তাপস পাল, শতাব্দী রায়, দেবশ্রী রায়, মৌসুমী চ্যাটার্জীর মতো একাধিক তারকার আবিষ্কার হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শোকে কাতর গোটা টলিউড ইন্ডাস্ট্রি। এত জ্ঞানী মানুষের উদ্ভব হয়তো এক যুগ পরেই হয়।

পরিচালকের পড়াশোনা, রসায়ন নিয়ে। কিন্তু এই মৌল-যৌগের রসায়নে তাঁর মন টেকেনি। কারণ তাঁর মনে চলছিল মানব মনের রসায়ন ঘটানোর। তাই গল্প বলাকেই নিজের পেশা এবং নেশা করে নিলেন তিনি। তাঁর বাড়িতে সবটা মেনে না নিলেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটুট ছিলেন। এরপর ১৯৫৯ সালে বাংলা সিনেমায় যোগদান করেন তিনি। ১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তাঁর, পড়াশোনা স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে। তাঁর বাবা বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। ছোটবেলা থেকেই মানুষের গল্প শোনা এবং নতুন করে গল্প তৈরি করার একটি ঝোঁক ছিলেন পরিচালকের। প্রায় ৬০ বছর অতিবাহিত করেছেন তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে।

তিনি বরাবরই আধুনিক কাহিনী নিয়ে গল্প বানাতে আগ্রহী ছিলেন। আধুনিকতা ছিল তাঁর কাছে এক ইউনিভার্সাল ফর্ম। এক সময়ে সচিন মুখোপাধ্যায় এবং দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘যাত্রিক’ নামে এক নির্মাতা গোষ্ঠী শুরু করেছিলেন তিনি। উত্তম-সুচিত্রাকে নিয়ে তাঁর অমূল্য সৃষ্টি ‘চাওয়া পাওয়া’ এখনও মানুষের কাছ উদার। এই ছবির সাফল্যের পরই তিনি পর পর তৈরি করতে থাকেন, ‘পলাতক’, ‘বালিকা বধূ’, ‘নিমন্ত্রণ’ ‘কুহেলি’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ঠগিনী’, ‘ফুলেশ্বরী’, ‘যদি জানতেম’, ‘দাদার কীর্তি’র মতো একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র। যদিও শারীরিক জটিলতার জন্যে কয়েক বছর আগেই তিনি ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিদায় নেন। তবে কিছু বছর আগেই তিনি বাংলা ছবির দর্শকদের উপহার দিয়েছেন ‘আলো’, ‘ভালোবাসার অনেক নাম’, ‘চাঁদের বাড়ি’, ‘ভালোবাসার বাড়ি’র মতো একাধিক খ্যাত সিনেমা। তাঁর শেষ পরিচালিত ছবি ছিল ২০১৮ সালে ‘অধিকার’। বাংলা সিনেমায় শুধু একের পর এক মাইলস্টোন ছবিই নয়, তাঁর হাত ধরে মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়, মহুয়া রায়চৌধুরী, দেবশ্রী রায়ের মতো একাধিক শিল্পীর হাতেখড়ি হয়।

যারা এখন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় তারকা। আজই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে শোক ঘনিয়েছে। তরুণের পরিচালিত সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত ছবিগুলি ছিল, পলাতক (১৯৬৩), নিমন্ত্রণ (১৯৭১), সংসার সীমান্তে (১৯৭৫) এবং গণদেবতা (১৯৭৮)। তাঁর পরিচালিত হিট ছবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য— বালিকা বধূ, কুহেলি, শ্রীমান পৃথ্বীরাজ, ফুলেশ্বরী, দাদার কীর্তি, ভালবাসা ভালবাসা, আপন আমার আপন-এর মতো সিনেমা গুলি। মোট ৫ টি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাঁর পরিচালিত ‘কাচের স্বর্গ’ ছবিটি তাঁকে জাতীয় পুরস্কার এনে দেয়। তাঁর কথায় সিনেমার সফর কোনোদিনই ফুরোয় না। তাঁর মৃত্যুতে অঝোরে কাঁদছেন দেবশ্রী রায়, মৌসুমী চ্যাটার্জী, শতাব্দী রায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সহ একাধিক তারকা।

ফের স্বাস্থ্যের অবনতি, ভেন্টিলেশনে তরুণ মজুমদার

বিপদ কাটিয়ে খানিকটা সুস্থ তরুণ মজুমদার

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00