Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘অসহায় মজুমদার’ থেকে ‘টুইটার মালব্য’! আক্রমণ জয়প্রকাশের

বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে জোরালো ধাক্কা দিলেন দলের সাসপেন্ড হওয়া নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। নেতৃত্বের ইস্তফা তো দাবি করলেনই সেই সঙ্গে নেতৃত্ব কোথায় কোথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটাও ছত্রে ছত্রে উদাহরণ তুলে দেখিয়ে দিলেন। আর এই আক্রমণটাই যে প্রত্যাশিত ছিল সেটাই বঙ্গ বিজেপির নীচুতলার কর্মী থেকে নেতা সকলেই স্বীকার করে নিচ্ছেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হার যে নিশ্চিত সেটা অন্তত ৩ পুরনিগমে নিশ্চিত ছিল। বাকি ১টি পুরনিগমে কিছুটা হলেও সবাই চমক দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সোম সকালে চার পুরনিগমে ভোট গণনার পর থেকেই ছবিটা স্পষ্ট হতে শুরু করে। বাংলার বিরোধী শক্তি থেকে ক্রমশ এবার প্রান্তিক শক্তির হয়ে যাওয়ার পথে হাঁটা দিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। প্রতি নির্বাচনে শুধু যে ধাক্কাই আসছে তাই নয়, প্রায় সব জায়গাতেই পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। আর এই ধাক্কার দিনেই বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে জোরালো ধাক্কা দিলেন দলের সাসপেন্ড হওয়া নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। নেতৃত্বের ইস্তফা তো দাবি করলেনই সেই সঙ্গে নেতৃত্ব কোথায় কোথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটাও ছত্রে ছত্রে উদাহরণ তুলে দেখিয়ে দিলেন। আর এই আক্রমণটাই যে প্রত্যাশিত ছিল সেটাই বঙ্গ বিজেপির নীচুতলার কর্মী থেকে নেতা সকলেই স্বীকার করে নিচ্ছেন। বিশেষ করে দলের আদি নেতারা। যদিও এই আক্রমণের ঝাঁঝ বঙ্গ বিজেপিকে কতখানি ভোগাবে তা সময়ই বলবে।

সোমবার রাজ্যের চার পুরনিগমের ফলাফল সামনে আসতেই বিজেপির বিপর্যয় আরও একবার সামনে চলে এসেছে। সেই সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুলেছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। সেখানেই তাঁর আক্রমণের মুখে পড়েন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, দলের রাজ্য সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরী, দলের রাজ্য সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য, দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ অর্জুন সিং, বিধায়ক শঙ্কর ঘোষেরা। জয়প্রকাশ এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ‘রাজনৈতিক সন্ত্রাস রাজ্যে নতুন নয়। তাই এই অজুহাত দেখিয়ে হারের দায় থেকে পার পেতে পারে না রাজ্য বিজেপি। তৎকাল বিজেপি নেতারা এখন দল চালাচ্ছেন। দিলীপ ঘোষের বক্তব্যেও তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। নতুন বিজেপি নেতারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। পুরভোটের ফল প্রকাশের পর সাংবাদিক বৈঠক করবেন মুখ্য মুখপাত্র। সেখানে চার-ছ’টা সাহিত্য থাকবে। থাকবে রাজনৈতিক বক্তব্য, তবে তা সাধারণ মানুষের বোধগম্য হবে না। উনি বলবেন বহুত্ববাদ, বহুদলীয় ব্যবস্থার কথা। তার পর দেখা যাবে বক্তব্যের শুরু কোথায়, শেষ কোথায়, কেউ বুঝতে পারলেন না। মাঝখানে খালি জুড়ে দেওয়া হবে চক্রান্ত, সন্ত্রাসের মতো শব্দ।’

এরপরেই জয়প্রকাশ দাবি করেন, ‘যে নেতাদের জন্য বঙ্গ বিজেপি ভাল ফল করেছিল, এখন তাদের একঘর করে রাখা হচ্ছে। এই পরাজয়ের পর কে পদত্যাগ করবেন, ঠিক করুন। অসহায় মজুমদার, টুইটার মালব্য, আপনারা বসে ঠিক করুন কারা এই হারের দায় নিয়ে পদত্যাগ করবেন। ভোটের ফল ভাল হলে তার কৃতিত্ব আপনারাই নিতেন। পরাজয়ের দায়ভারও আপনাদের নিতে হবে। শুধু শুধু হাইকোর্ট, আর রাজভবন দেখিয়ে পার পাবেন না। বেআইনি ভাবে আমাকে বহিষ্কার করেছে। হাতের তালুর মতো চিনতাম বিজেপি-কে। জীবনের আট বছর সময় দিয়েছি পার্টিকে। সেই অধিকার থেকেই বলছি, সাধারণ কর্মীদের স্বার্থে বলছি। চক্রান্তকারী নেতাদের বিরুদ্ধে কথা বলছি। ঠান্ডা ঘরে বসে টুইট করে নয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়৷’ এবারে বিধাননগরের পুরনির্বাচনের দায়িত্ব দলের তরফে দেওয়া হয়েছিল অর্জুন সিংকে। সে প্রসঙ্গেও আক্রমণ শানিয়েছেন জয়প্রকাশ। বলেছেন, ‘বিধানসভা ভোটে উনি ব্যর্থ। তাঁকেই দেওয়া হল বিধাননগর উপনির্বাচন পরিচালনা করতে! রেকর্ড ভোটে হারালেন দলকে। তার পরও তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হল কলকাতা পুরসভা নির্বাচন দেখার জন্য। আবার তিনি রেকর্ড ভোটে বিজেপিকে হারালেন। সাতটা থেকে বিজেপি নেমে এল তিনটি আসনে। তাঁকেই আবার বিধাননগর পুরভোট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হল। প্রচারেই সে ভাবে দেখা যায়নি। তখন উনি ব্যস্ত ছিলেন আগেভাগে নিজের আত্মীয়দের তৃণমূলে পাঠিয়ে রাস্তা তৈরি করে রাখার জন্য।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00