নিজস্ব প্রতিনিধি, আহমেদাবাদ: গুজরাত এটিএস আল কায়েদার (একিউআইএস) সঙ্গে যুক্ত একটি সন্ত্রাসী মডিউলের পর্দাফাঁস করেছে। এর ফলে উন্মোচিত হয়েছে একটি বড়সড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র। এই অভিযানে মোট চারজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
চারজনেই আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর সদস্য ছিল। গুজরাত এটিএস কর্মকর্তাদের মতে, ধরা পড়া চার সন্ত্রাসীর মধ্যে ২ জনকে গুজরাত থেকে, ১ জনকে দিল্লি থেকে এবং আরও ১ জনকে নয়ডা (উত্তর প্রদেশ) থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সকল সন্ত্রাসী আল কায়েদার AQIS-এর সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসীদের নাম সাইফুল্লাহ কুরেশি (বাবা: মহম্মদ রফিক), মহম্মদ ফারদিন (বাবা: মহম্মদ রইস), মহম্মদ ফাইক (বাবা: মহাম্মদ রিজওয়ান) এবং জিশান আলী।
গুজরাত এটিএসের হাতে ধরা পড়া ৪ জন সন্ত্রাসীর সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। এটিএস আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের সকলের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এরা বড় আকারের সন্ত্রাসী হামলা চালানোর ষড়যন্ত্র করছিল। এটিএস ডিআইজি সুনীল জোশী বলেছেন যে বর্তমানে বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই সমগ্র অভিযানের বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিক সম্মেলন মারফত জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
গুজরাট এটিএস জানিয়েছে যে এই সন্ত্রাসীদের কিছু নির্দিষ্ট এবং সংবেদনশীল স্থানকে নিশানা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই চার সন্ত্রাসী যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত, তদন্তে তা সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে যে, সাইফুল্লাহ কুরেশি, মহম্মদ ফারদিন , মহম্মদ ফাইক , এবং জিশান আলী সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানের সন্ত্রাসীদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখত।
এই চারজনকে গ্রেফতারের ফলে একটি বড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছে। ফলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির জন্য এ যে দারুণ সাফল্য তা বলে দিতে হয় না। গুজরাত এটিএস এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এখন এই সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক, তহবিল, প্রশিক্ষণ এবং বিদেশী যোগাযোগের বিষয়টি ভাল করে খতিয়ে দেখছে। আগামী দিনে এই মামলায় আরও তথ্য প্রকাশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি গ্রেফতারির সংখ্যাও বাড়তে পারে।