নিজস্ব প্রতিনিধি: আইপিএলে ফাইনালে পৌঁছেও শিরোপা অর্জন করতে পারেনি শ্রেয়াস আইয়ারের নেতৃত্বে প্রীতি জিন্টার মালিকানাধীন পঞ্জাব সুপার কিংস। তবে RCB-এর বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছে PBSK। কিন্তু মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে RCB-র কাছে পরাজিত হয় প্রীতির দল। দলের এই অদম্য লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রীতি জিন্টাও। তিনি একটি পোস্টের মাধ্যমে তাঁর দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, এখুনি শেষ নয়, আবারও তাঁরা ফিরে আসবে এবং অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করবেন। আইপিএলের এই মরসুমে প্রীতির দলের প্রধান কোচ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক রিকি পন্টিং। তিনি দলের কোচ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। শ্রেয়াসকে নিয়ে তিনি ম্যাচ জয়ের যে কৌশলগুলি তৈরি করেছিলেন, তা আপাতদৃষ্টিতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
আইপিএলের ফাইনালে দলটি হেরেছে, কিন্তু পন্টিং গর্বিত যে, পঞ্জাব সুপার কিংস এ বছর ভিন্নভাবে মাঠে অবতীর্ণ হয়েছিল। যে কারণেই PBSK ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছিল। এবার এ বছর আইপিএল মরসুমের যাত্রা নিয়ে রিকি পন্টিংয়ের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার নিলেন প্রীতি জিন্টা। যে ভিডিওটি এখন ভাইরাল হচ্ছে। তবে তার মধ্যে রিকি পন্টিংয়ের প্রীতিকে দেওয়া একটি প্রস্তাব ভক্তদের নজর কেড়েছে। এই সাক্ষাৎকারে প্রীতি জিন্টা তাঁর দলের প্রধান কোচকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, ‘কেউ কীভাবে মাঠে এত আক্রমণাত্মক হতে পারে, এবং ব্যক্তিগত জীবনে একেবারে উল্টো, শান্ত, ধীর স্থির হাসিখুশি থাকতে পারে? একই মানুষের দুটি রূপ কীভাবে সম্ভব?’
এই প্রশ্নের উত্তরে রিকি পন্টিং বলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আপনার উচিত মাঝে মধ্যে আমার সঙ্গে ডাগআউটে (মাঠের ধারে খেলোয়াড়দের বসার জায়গা) বসা। আপনি তখন দেখতে পারবেন যে, আমি কেন মাঠে শান্ত থাকতে পারি না? আমি একজন আক্রমণাত্মক ব্যক্তি হয়ে যাই, বিশেষ করে যখন ম্যাচ চলে।’ অর্থাৎ পন্টিং স্পষ্ট করে বলেন যে, তিনি মাঠের বাইরে একদম সাদামাটা হাসিখুশি মানুষ। কিন্তু যখন দায়িত্ব পালনের কথা আসে, তখন তিনি কারো সঙ্গে আপোস করেন না। পন্টিং আরও বলেন, ‘ক্রিকেটের সময় ছাড়া অন্য যে কোনও সময়ে আমি একা কফি খেতে পারি, কারো সঙ্গে হাসতে পারি। আমি বসে কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারি। কিন্তু যখন ক্রিকেটার সময় আসে, তখন দলকে সেরাটা দেওয়াই আমি বিশেষ কর্তব্য বলে মনে করি।’