Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বঙ্গবন্ধুর কবরে শ্রদ্ধা জানানোর অপরাধে অপসারিত বাংলাদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ পুলিশ ও প্রশাসন থেকে মুক্তিযুদ্ধপন্থীদের অপসারিত করার পরে এবার বিচারব্যবস্থা থেকেও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীদের সরাতে শুরু করল মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস সরকার। বাংলাদেশের স্রষ্টা তথা স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানানোর অপরাধে অপসারিত করা হল হাইকোর্টের বিচারপতি খিজির হায়াতকে। গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রকের আইন ও বিচার বিভাগের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিচারপতি খিজার হায়াতকে অপসারণের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা (৬) অনুযায়ী তাঁকে অপসারণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।’ আইনজীবীরা মনে করছেন, ‘বিচারবিভাগকে পাকিস্তানপন্থীদের দিয়ে দখল করানোর উদ্দেশেই স‍ৎ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির বিচারপতি হিসাবে পরিচিত খিজির হায়াতকে অপসারিত করেছে পাকিস্তানি চর মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস।

গত ৫ অগস্ট সেনা বিদ্রোহের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান ত‍ৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দেশত্যাগের পরেই বিচারবিভাগকে কব্জা করার কাজ শুরু করে দেয় মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার। প্রথমে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান-সহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতিকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ করা হয় পাকিস্তান প্রেমী তথা রাজাকার পরিবারের সন্তান সৈয়দ রিফাত আহমেদকে। প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিয়েই তিনি বাংলাদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসাবে জামায়াত ইসলামীর নেতা হিসাবে পরিচিত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ২১ আইনজীবীকে বিচারপতি পদে নিয়োগ করেন। পরে গত বছরের ২০ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ পরিবারের সন্তান হিসাবে পরিচিত ১২ বিচারপতিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠান। তার মধ্যে ছিলেন সদ্য অপসারিত বিচারপতি খিজির হায়াত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করে ১৯৯৭ সালের ৬ অগস্ট ঢাকা জেলা আদালতের আইনজীবী হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন খিজির হায়াত। ২০০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ২০১৮ সালের ৩১ মে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর ২০২০ সালে স্থায়ী বিচারপতি পদে নিয়োগ পান। বিচারপতি হিসাবে ছয় বছর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছেন। শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধেও একাধিক নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পরেই সমাজমাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর কবরে বিচারপতি খিজির হায়াতের শ্রদ্ধা জানানোর ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। সেই অপরাধেই এবার বিচারপতির পদ থেকে অপসারিত হলেন তিনি।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00