নিজস্ব প্রতিনিধি,চাকদহ: অফিস টাইমে নদিয়ার চাকদহ বিএলআরও অফিসে তখন কাজে ব্যস্ত আধিকারিকরা। বেলা একটু গড়াতেই সেখানে হঠাৎ হাজির নদিয়ার জেলাশাসক(DM) এস অরুন প্রসাদ, সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা শাসক(ADM) প্রলয় রায় চৌধুরী। তাদের হঠাৎ এভাবে আসতে দেখে অবাক হয়ে যান অফিসের আধিকারিক থেকে অন্যান্য কর্মীরা। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই একের পর কাজের হিসাব নিতে শুরু করেন জেলাশাসক।খতিয়ে দেখেন কোন কাজ কতোটা এগিয়েছে বা কোন কাজ হয়নি। দ্রুততার সাথে সেই কাজ শেষ করতে নির্দেশ দেন তিনি। এর পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ ধরে চাকদহের বিডিও ও BLRO সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
সোম ও মঙ্গলবার পর পর দুদিন চলে এই সারপ্রাইজ ভিজিট।আগামী দিনেও এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট চলবে বলে জানিয়েছেন জেলা শাসক। এদিকে,শান্তিপুরের BMOH এর নীল বাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার ঘিরে বিতর্ক।শুরু রাজনৈতিক তরজা।মুখে কুলুপ BMOH- এর।পদে তিনি ব্লক মেডিক্যাল হেলথ অফিসার। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর সেই পদ নীলবাতি ব্যবহারের জন্য যোগ্যই নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে দিনের পর দিন নীল বাতি লাগিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। শান্তিপুরের বিএমওএইচ পূজা মৈত্রের এহেন ‘কর্মকাণ্ড’ ঘিরেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। কার্যত বুক ফুলিয়ে সরকারি নিয়মকে ওই সরকারি কর্তা বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ। আর সেই বিতর্ক ছুঁয়েছে সরকারি দফতর থেকে রাজনৈতিক মহলেও ।
জানা যায় , বর্তমানে শান্তিপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক পদে আসীন চিকিৎসক পূজা মৈত্র। ঘটনাচক্রে যিনি রানাঘাট শহরের বাসিন্দা। অভিযোগ, রানাঘাট থেকে ফুলিয়ায় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র পর্যন্ত তাঁর যাতায়াতে লক্ষ্য করা গিয়েছে, তিনি নীল বাতি(Blue Light) গাড়ি ব্যবহার করেন। যদিও প্রশাসনিক সূত্র বলছে, স্বাস্থ্য বিভাগের ক্ষেত্রে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ছাড়া নীল বাতি ব্যবহারের যোগ্য পদ আর কেউই নেই। শুধু তাই নয় নীল বাতি ব্যবহারের সুপ্রিম কোর্টে নিজস্ব কিছু গাইডলাইন রয়েছে। ফলে কোন ক্ষমতাবলে বিএমওএইচ পূজা মৈত্র নীল বতি গাড়ি ব্যবহার করছেন তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকেই প্রশ্ন উঠছে। শুরু হয়েছে তরজা।