নিজস্ব প্রতিনিধি: কী বিয়ে করছেন কর্ণাটকের বিখ্যাত বডি বিল্ডার চিত্রা পুরুষোত্তম। তাঁর অনন্য ব্রাইডাল লুক এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সাধারণত পুরুষ এবং নারীর দেহের গঠন একেবারেই আলাদা। কিন্তু কর্ণাটকের চিত্রা পুরুষোত্তমের শারীরিক গঠন অন্যান্য নারীদের থেকে আলাদা। যেহেতু তিনি একজন বডি বিল্ডার, তাই তাঁর হাত, গলা, পেট একেবারেই বডি বিল্ডারদের মতো। ব্রাইডাল পোশাকেও তিনি ঢাকেননি তাঁর পরিচিতি। ঐতিহ্যবাহী কাঞ্জিভরম শাড়ি পরেছেন, মাথায় বিনুনি, ঠিক দক্ষিণী বিয়ের স্টাইলে বউ সেজেছেন চিত্রা। পাশাপাশি তাঁকে সুনির্দিষ্ট পেশী প্রদর্শন করতেও দেখা গিয়েছে। আসলে সৌন্দর্যের সঙ্গে শক্তির মিশ্রণ ঘটিয়েছেন চিত্রা। বডি বিল্ডারের এই ব্রাইডাল লুকের ভিডিওটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। পাশাপাশি তিনি জানালেন বডি বিল্ডার হয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসা তাঁর পক্ষে সহজ ছিল না।
তবে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হয়েছে তাঁর ভিডিওটি। বউ সাজলেও বডি বিল্ডারের শক্তি প্রদর্শন করতে না ভোলার জন্যে অনেকেই তাঁকে প্রশংসা করেছেন। তাঁর আত্মবিশ্বাসের প্রশংসা করেছেন। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই তাঁকে নিয়ে রসিকতা করেছেন। প্রশংসা থেকেও তাঁকে নিয়ে হাসির রব উঠেছে। চিত্রার তাঁর ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, “আপনার শরীর আপনার কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রতিফলন। এরকম কিছু অর্জন করা এত সহজ নয়, এবং এটি অন্যদের জন্য খুবই অনুপ্রেরণাদায়ক।” ভিডিওটি এখনও পর্যন্ত ৩৪ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে। তাঁর আসল ভিডিওটির সংক্ষিপ্ত সংস্করণ শেয়ার করছেন জনপ্রিয় বডিবিল্ডিং উৎসাহী তরুণ গিল। তিনি ভিডিওটির ক্যাপশনে লিখেছেন, “পুরা শ্বশুরবাড়ির পরিবার ভীত।”
অন্যদিকে সোশ্যাল ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ লিখেছেন, “মেয়েদের শারীরিক ও মানসিকভাবে এভাবেই শক্তিশালী হওয়া উচিত,” আরেকজন ব্যবহারকারী তাকে “বাহুবলী” বলেছেন। অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, “শাশুড়ি তাকে বকাঝকা করার কথা ভাববেনও না।” আরও একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “তিনি ফিটনেসের প্রতি তার নিষ্ঠা, শক্তি, সহনশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস প্রদর্শনের মাধ্যমে অনেক মেয়েকে অনুপ্রাণিত করছেন। একজন নিয়মিত মহিলা থেকে একজন ফিট এবং পেশীবহুল ব্যক্তিত্বে পরিণত হওয়ার তার যাত্রা অসংখ্য মহিলাকে স্বাস্থ্যকর এবং আরও সক্রিয় জীবনধারা গ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করছে।” তবে ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকা সত্ত্বেও, চিত্রার সাহসী বক্তব্য শরীরের ইতিবাচকতা, ফিটনেস এবং সৌন্দর্যের মান পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।