নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য শনিবারই (১ ফেব্রুয়ারি) সংসদে বাজেট পেশ করেছেন মোদি সরকারের খাজাঞ্চি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আর ওই বাজেট পেশের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সুখবর বয়ে আনল জানুয়ারি মাসে পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি) বাবদ আয়ের পরিসংখ্যান। গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় ১২.৩ শতাংশ বেড়ে চলতি বছরের প্রথম মাসে জিএসটি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে ১ লক্ষ ৯৬ হাজার কোটি টাকার মতো। অল্পের জন্য দুই লক্ষ কোটি টাকার গণ্ডি পেরোতে পারেনি।
২০১৭ সালে দেশের কর ব্যবস্থায় আমূল বদল ঘটিয়ে চালু হয়েছিল পণ্য পরিষেবা কর বা জিএসটি। আর ওই নয়া কর পদ্ধতি চালু হওয়ার পরেই সরকারি কোষাগার দিনের পর দিন উপচে পড়ছে। আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার মতো কোষাগার স্ফীত হচ্ছে। যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জিএসটি চালু নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে একের পর এক ক্ষেত্রে কার্যকর করা হচ্ছে জিএসটি। গত বছরের এপ্রিলে জিএসটি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছিল ২ লক্ষ ১০ হাজর কোটি টাকা। তার পর থেকে অবশ্য বাকি আট মাসে দুই লক্ষ কোটির নিচেই ছিল জিএসটি বাবদ মাসিক আয়।
এদিন কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সদ্য শেষ হওয়া জানুয়ারি মাসে সেন্ট্রাল জিএসটি আদায় হয়েছে ৩৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আর ৪৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা রাজ্য জিএসটি বাবদ কোষাগারে এসেছে। ইন্টিগ্রেডেড জিএসটি এবং সেস থেকে আয়ের পরিমাণ যথাক্রমে ১ লক্ষ ১ হাজার কোটি এবং ১৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে জিএসটি বাবদ আয় হয়েছিল ১ লক্ষ ৭৭ হাজার কোটি টাক। অর্থাৎ ডিসেম্বরের তুলনায় আয় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।