Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পৃথিবী ঠান্ডা করতে ছড়ানো হবে হিরের গুঁড়ো, খরচ ২০০ লক্ষ কোটি ডলার!

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বিশ্ব উষ্ণায়ণের (Global Warming) ফলে ক্রমশ উষ্ণ হচ্ছে পৃথিবী। আর এই ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা মানুষের স্বাস্থ্যের উপর সুস্পষ্ট প্রভাব ফেলছে। তাতেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিশেষজ্ঞদের কপালে। তাই সম্প্রতি জলবায়ু সঙ্কট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা একটি সাহসী এবং বহুমূল্য প্রচেষ্টা করতে পারেন। গবেষণার ফলে এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে যে, পৃথিবীকে শীতল করার জন্য না কী বায়ুমণ্ডলে হিরের গুঁড়ো ছড়ানো হতে পারে। অনুমান করা হচ্ছে এর ফলে ব্যয় হতে পারে প্রায় ২০০ লক্ষ কোটি ডলার। অবাক লাগছে তো ? হ্যাঁ, অবাস্তব মনে হলেও এটাই সত্যি।

গবেষণার ফলে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, প্রতি বছর ৫০ লক্ষ টন হিরের গুঁড়ো ছড়ানো হতে পারে পৃথিবীতে, যা অযৌক্তিক মনে হলেও ‘জিয়োফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ প্রকাশিত গবেষণাপত্র অনুযায়ী এই ৫০ লক্ষ টন হিরের গুঁড়ো বিশ্বের তাপমাত্রা অনেকাংশেই কমিয়ে দিতে পারে। জানা গেছে, চকচকে হিরের গুঁড়ো সূর্যরশ্মির উপর পড়লে তা অনেকাংশেই প্রতিফলিত হয়ে বায়ুমণ্ডলের বাইরে চলে যাবে। ফলে তাপও কমবে। এই ধারণার কথাই প্রকাশিত হয়েছে ওই গবেষণাপত্রে। গবেষণাপত্র অনুযায়ী, বায়ুমণ্ডলে হিরের গুঁড়ো ছড়ানোর প্রক্রিয়াটি ‘স্ট্রাটোস্ফিয়ারিক অ্যারোসল ইঞ্জেকশন’ (Stratospheric aerosol injection বা SAI) নামে পরিচিত। জানা গেছে, এই সম্পূর্ণ বিষয়টি ‘সোলার জিয়োইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অধীনে পড়ে।

গবেষকদের বিশ্বাস, যদি ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই প্রক্রিয়া চালানো যায়, তা হলে এই প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ২.৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট অবধি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁরা অনুমান করছেন, ৪৫ বছর ধরে SAI প্রক্রিয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রা কমাতে হলে প্রায় ২০০ লক্ষ কোটি ডলার খরচ করতে হতে পারে। যে কারণে অনেক বিশেষজ্ঞদের দাবি, শুধুমাত্র অনুমানের উপর ভিত্তি করে এবং পরীক্ষা করে দেখার জন্য এত টাকা খরচ করা একেবারেই অযৌক্তিক। তবে এক্ষেত্রে গবেষকদের যুক্তি, এই মুহূর্তে পৃথিবীতে জলবায়ু সঙ্কট যে ভয়াবহ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যে হারে বিশ্ব উষ্ণায়ণ বেড়ে চলছে, তা মোকাবিলা করার জন্য এই খরচ এমন কিছুই নয়।

এই গবেষণায় গবেষকেরা হিরের ধূলিকণার পাশাপাশি সালফার-সহ অন্যান্য আরও অ্যারোসল বায়ুমণ্ডলে ছড়ালে তার প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়েও পরীক্ষা করছিলেন। তাঁরা জানিয়ছেন, হিরের কণাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষণ উঁচুতে ভেসে থাকতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য অ্যারোসলগুলি অ্যাসিড বৃষ্টিতে পরিণত হলেও হিরের গুঁড়ো কোনো বিক্রিয়া করেনি। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই ধরনের পরীক্ষা করার আগে পৃথিবীতে তার পরিবেশগত এবং সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে বিচার করা একান্ত বাঞ্ছনীয়। যেহেতু, পৃথিবীতে জলবায়ুর এই চরম পরিণতির মূলে একমাত্র মানুষই, তাই এরপর যাতে সেই মানুষের দ্বারাই যাতে আর কিছু ক্ষতিসাধন না হয়, সেই দিকটা ভাল করে খতিয়ে দেখছেন গবেষকেরা। 

 

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00