Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় অনিয়ম ঠেকাতে রাজ্যের ভরসায় সিসি ক্যামেরা

খরিফ মরশুমে ধান কেনার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার যথেষ্ট কড়াকড়ি করেছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি ধান ক্রয় কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করেছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম জমানায় রাজ্যের(Bengal) ধান চাষীরা(Paddy Farmers) কার্যত প্রতি বছর অভাবী বিক্রি করতে বাধ্য হতেন। এর সব থেকে বড় ফায়দা লুটতেন মধ্যসত্ত্বভোগীরা। সেই ছবিতে বদল এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি বাংলার ধান চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার প্রক্রিয়া(Paddy Procurement) শুরু করেছেন। এর ফলে ধান চাষীরা নিজ নিজ এলাকাতেই তাঁদের ধান রাজ্য সরকারের আয়োজিত শিবিরে গিয়ে বিক্রি করতে পাচ্ছেন রাজ্য সরকার ঘোষিত সহায়ক দামে(Subsidized Price)। ধান চাষীদের মধ্যে যারা কৃষকবন্ধু প্রকল্পের মধ্যে রয়েছেন তাঁরা সেই ধান বিক্রির সুযোগ যেমন পাচ্ছেন তেমনই বর্গাদাররাও সেই সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে চাষীরা অভিযোগ করেছেন যে তাঁদের ওজনে ঠকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর কানেও গিয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এবার খরিফ মরশুমে ধান কেনার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার যথেষ্ট কড়াকড়ি করেছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি ধান ক্রয় কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা(CC Camera) বসানো বাধ্যতামূলক করেছে।

আরও পড়ুন, সিভিকদের বেতন নিয়ে বড়সড় রদবদলের পথে রাজ্য, লাভবান হবেন কর্মরতরা

চলতি বছরের খরিফ মরশুমে গোটা রাজ্যে মোট ৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। খাদ্য দফতর সেই ধান কিনবে। বেনফেড, কনফেড, নাফেড ছাড়াও রাজ্য সরকারের নিজস্ব ক্রয়কেন্দ্র বা সিপিসি এবং ডব্লুবিইসিএসসি ও বিপিএএমসিএল সংস্থার মাধ্যমেও সেই ধান কেনা হবে। এবারে রাজ্য সরকার ধানের সহায়ক মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি সিপিসিতে ধান বিক্রয় করলে চাষিদের কুইন্টাল পিছু অতিরিক্ত ২০টাকা ইনসেনটিভ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে। সেই সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রতিটি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্রে বা সিপিসি-তে সিসি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলকও করে দিল রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চাষিদের বায়োমেট্রিক ছাপও নেওয়া হবে। প্রতিটি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্রে ধান চাষীরা ২৩০০টাকা কুইন্টাল দরে ধান বিক্রি করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ধান বিক্রি করতে আসা চাষিদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য প্রতিটি স্থায়ী ক্রয় কেন্দ্রে পানীয় জল, শৌচালয় এবং বসার পৃথক ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ধান ওজনের জন্য ডিজিটাল মেশিন অথবা ওয়ে ব্রিজের ব্যবস্থা থাকবে সেখানে।

আরও পড়ুন, হেরো প্রাক্তন সাংসদ থেকে প্রার্থীদেরই ভোটের মাঠে নামাতে চায় বিজেপি, ক্ষোভ কর্মীমহলেই

গত বছর কুইন্টাল পিছু ধানের সহায়ক মূল্য ছিল ২১৮৩টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ২৩০০ টাকা করা হয়েছে। তবে কেবলমাত্র ই-প্যাডি পোর্টালে রেজিস্ট্রিকৃত চাষিদের কাছ থেকেই ধান কেনা হবে। ধান বিক্রি করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ধান চাষীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। চাষীরা প্রত্যেকেই অনলাইনেই নিজের আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ধান বিক্রির জন্য শ্লট বুকিং করতে পারবেন। নির্দিষ্ট দিনে ধান নিয়ে গেলে তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে। চাষিদের কাছ থেকে কেনা ধান রাইস মিলে পাঠানো হবে। ওই ধান চাল তৈরি করে তা গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে রেশন ও মিড ডে মিলের জন্য পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সমস্ত সিপিসিতে একজন করে পারচেজ অফিসার ও একজন করে ডিসবার্স অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে। একজন চাষি সর্বাধিক ৯০ কুইন্টাল ধান সহায়ক মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00