Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

শুভেন্দুকে ধাক্কা দিয়েই এগরার পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা আনছে তৃণমূল

পদ্মশিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরা-২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূলের আনা অনাস্থা ঠেকাতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হতে পারে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দুর্গাপুজো আর লক্ষ্মীপুজো মিটে গিয়েছে। কালিপুজো আসতে এখনও সপ্তাহ ২ বাকি আছে। এই সময়ের মধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে(Purba Midnapur) গেরুয়া শিবিরকে ধাক্কা দিতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। জোড়াফুল সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা-২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনছে তৃণমূল। বিজেপির দখলে থাকা এই পঞ্চায়েত সমিতিতে অনাস্থা আনার জন্য ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ১১জন নির্বাচিত সদস্যের সই করা চিঠি মহকুমা শাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসক সেই চিঠি পাওয়ার পরে সিদ্ধান্ত নেবেন অনাস্থা প্রস্তাবের(No Trust Motion) ওপর ভোটাভুটি হবে কিনা। যদি ভোটাভুটিতে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হয় তাহলে বোর্ড আসবে তৃণমূলের দখলে। যদিও পদ্মশিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অনাস্থা ঠেকাতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হতে পারে।

আরও পড়ুন, কলকাতার Bike-Taxi’র ক্ষেত্রে লাগু হচ্ছে বেশ কিছু নয়া নিয়ম

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা-২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট আসন ২৪টি। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ও বিজেপি(BJP) ১২টি করে আসনে জয়ী হয়। টসের মাধ্যমে বোর্ড গঠন হয়। তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং বিজেপি সহ সভাপতি পদে জয়ী হয়। কিন্তু, পঞ্চায়েত সমিতির সাধারণ সভায় ২০-১৯ মার্জিনে জয়ী হয়ে সবক’টি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হন বিজেপির প্রতিনিধিরা। তখন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ সাধারণ সভার সদস্য হিসেবে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু, এবার মেদিনীপুর লোকসভা বিজেপির হাতছাড়া হয়েছে। সেখানে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের জুন মালিয়া। আর সেই জয়ের জেরে এগরা-২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির রাজনৈতিক সমীকরণও বদলে গিয়েছে। এই মুহূর্তে সাধারণ সভায় তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ২০জন এবং বিজেপির ১৯। এই অবস্থায় স্থায়ী সমিতি থেকে বিজেপিকে সরানোর কাজ শুরু করে দিতে সময় নষ্ট করতে চাইছে না তৃণমূল।  

আরও পড়ুন, কৃষ্ণনগর কাণ্ডে ধৃত রাহুল মুখ্যমন্ত্রীকে হটাবার দাবি পোস্ট করেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়

পঞ্চায়েতের আইন অনুযায়ী, বোর্ড গঠনের ১ বছর পরই স্থায়ী সমিতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা যায়। সেই নিয়ম মেনেই ১ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শাসকদল অনাস্থা আনার তোড়জোড় শুরু করেছে। এগরা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সাধারণ সভার সদস্য সংখ্যা ৩৯জন। তাঁদের মধ্যে ২৪জন পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সদস্য। এছাড়া ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, ব্লক থেকে নির্বাচিত ৩জন জেলা পরিষদ সদস্য, ২ জন সাংসদ এবং ২জন বিধায়ক পদাধিকারবলে স্থায়ী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন। সেই সাধারণ সভার সদস্যদের মধ্যে তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী হয়ে আছেন ২০জন এবং বিজেপি থেকে জয়ী হয়ে আছেন ১৯জন। সেই হিসাবে অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হলে বিজেপি হাসবে এবং সেক্ষেত্রে ওই পঞ্চায়েত সমিতির স্থায়ী সমিতিতে থাকা বিজেপির ৯জন কর্মাধ্যক্ষকে ইস্তফাও দিতে হবে। এই পঞ্চায়েত সমিতি বিজেপির হাতছাড়া হলে সন্দেহ নেই তা শুভেন্দুর কাছে বড় ধাক্কা হয়েই থেকে যাবে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00