Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পুজো মিটলেই রাজ্যজুড়ে জনসংযোগে নামছে তৃণমূল, গুরুত্ব আদি নেতাকর্মীদের

মঙ্গলবার থেকে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী শুরু। সেখানেই দলেরই পুরাতন আদি নেতাকর্মীদের বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এবছরের মতো পুজো(Durga Puja) শেষ। আর সেই পুজো মেটার পরে পরেই রাজ্যজুড়ে জনসংযোগে নামতে চলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। আর জি কর কাণ্ডের প্রেক্ষাপটে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। জোড়াফুল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় প্রতিটি ব্লকে ব্লকে আগামী মঙ্গলবার থেকে দলের বিজয়া সম্মিলনী(Bijaya Sammilani) শুরু করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ চলে গিয়েছে জেলা স্তরের নেতাদের কাছে। শুধু তা-ই নয়, বিজয়া সম্মিলনীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার জন্যও দল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। আর-একটি অত্যন্ত জরুরি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা হল দলেরই পুরাতন আদি নেতাকর্মীরা যারা দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু কোনও কারণে দলের সঙ্গে এখন যাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে সেই সব নেতাকর্মীদের অতি অবশ্যই এই সব অনুষ্ঠানে সামিল করতে হবে। দল মনে করে, এটা অনেকটাই জনসংযোগের কাজ করবে।  

আরও পড়ুন, জেলার কার্নিভাল নিয়েও থাকছে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা

২০২৬’র নির্বাচনে তৃণমূলকে হারাতে কোমর বেঁধে নামতে চাইছে বামেরা। তাঁদের পিছন থেকে মদত দিচ্ছে গেরুয়া। এই প্রেক্ষিতে এখন থেকেই ঘর গোছাতে চাইছে জোড়াফুল শিবির। সেই সূত্রেই দলের আদি নেতাকর্মীদের বাড়তি গুরুত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) হাত ধরে দল যখন তৈরি হয়, তখন অনেকেই দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁরা শামিল হতেন। কোনও কারণে তাঁরা অভিমান করে দল থেকে দূরে সরে গেছেন। চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই শুরু হয়েছে সেই সব নেতাকর্মীদের মান অভিমান ভাঙিয়ে তাঁদের ফের দলের মূলস্রোতে সামিল করার পালা। সেই সময় দলের জেলার সভাপতিরা সেই সব নেতা ও কর্মীদের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ দলে ফিরেছেন। নেকে আবার ফেরেননি। আবার এমন অনেকে আছেন যারা দলে না ফিরলেও অন্য দলেও যাননি। এবার তাঁদের কাছে টানতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই কাছে টানার মঞ্চ হিসাবেই বিজয়া সম্মিলনীতে তাঁদের(Importance to Party Old Leaders and Workers) যুক্ত করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা নেতৃত্বগুলিকে।

আরও পড়ুন, ‘যতই নাড়ো কলকাঠি, ২৬শে নবান্নে হাওয়াই চটি’, সাফ জানালেন শওকত

এর পাশাপাশি দলের বিজয়া সম্মিলনীর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে গিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, একেবারে অন্য দলের মতাদর্শ শিল্পীদের আনা চলবে না। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে বলে নেতারা মনে করেন। সেই সঙ্গে বিজয়া সম্মিলনী মিটলেই রাজ্যজুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগের কর্মসূচী শুরু করে দিতে বলা হয়েছে। লোকের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বাম-বিজেপি নীতিহীন নৈরাজ্যবাদ ও রাজনীতির বিরুদ্ধে আমজনতাকে বার্তা দিতে হবে। সামনেই রাজ্যের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন রয়েছে। আছে একটি লোকসভা কেন্দ্রেরও উপনির্বাচন। সেই সব নির্বাচনে জিততে ওই সব এলাকায় বাড়তি জোরও দিতে বলা হয়েছে ওই সব জেলার তৃণমূল নেতৃত্বকে। নেতা ও কর্মীদের সেই জন্য আরও পরিশ্রম করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। এলাকা ধরে ধরে সংগঠনে কোথায় দুর্বলতা, তা নিয়ে আলোচনা করে তা মজবুত করে তোলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে দলের জেলা নেতৃত্বকে। তবে দলের তরফে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে-সব জায়গায় বন্যা হয়েছে, সেই সব এলাকায় বিজয়া সম্মিলনী হবে না। এখনও ত্রাণের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। সেই সব কাজ যাতে ঠিক ভাবে হয় সেই দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।  

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00