Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

তিস্তার ভাঙনে বিপন্ন চমকডাঙি পরিদর্শনের পরে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট গৌতম দেবের

লাগাতার বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তা এখন গ্রাস করতে চলেছে গোটা চমকডাঙি গ্রামকেই। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুজোর মুখে বড় বিপর্যয় উত্তরবঙ্গের(North Bengal) শিলিগুড়ির অদূরে চমকডাঙি গ্রামে(Chamakdangi Village)। সেখানে তিস্তার(Teesta) ভাঙনের জেরে ঘর ছাড়া প্রায় ৮০টি পরিবার। বিগত কয়েকদিন ধরে পাহাড় ও সমতলে লাগাতার বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। চমকডাঙি গ্রামের পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে তিস্তা। গ্রামে ঢোকার মূল রাস্তা গত কয়েকদিন আগেই তিস্তার গ্রাসে চলে গিয়েছে। ধীরে ধীরে সেই ভাঙন এখন গ্রাস করতে চলেছে গোটা গ্রামকেই। ভাঙন বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত। শেষ সম্বল বাঁচাতে নিজেরাই বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন নিরাপদ স্থানে। বাড়ির বয়স্ক ও বাচ্চাদের স্থান হয়েছে কমিউনিটি হলে। সেই গ্রাম এদিন অর্থাৎ শুক্রবার সকালে পরিদর্শন করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা শিলিগুড়ি পুরনিগমের বর্তমান মেয়র গৌতম দেব(Gautam Deb)। সেই পরিদর্শনের পরে তিনি রিপোর্ট পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee)।

আরও পড়ুন, ট্যাব কিনতে ১৬ লক্ষ পড়ুয়ার জন্য রাজ্য সরকারের বরাদ্দ ১৩৩ কোটিরও বেশি

এদিন গৌতমবাবু গ্রামে গেলে গ্রামবাসীরা অভিযোগ জানান যে, সেচ দফতরকে ভাঙন শুরু হওয়ার আগেই বিষয়টি জানিয়ে এসেছেন তাঁরা। সেচ দফতরের থেকে পরিদর্শনও করে গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। কিন্তু সময় মত কাজ শুরু না করায় ভাঙনের মুখে পড়তে তাঁদের। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভাঙন বেড়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি ভাঙন যে ভাবে বাড়ছে তাতে আজ রাতের মধ্যে পুরো গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে গৌতম দেব জানিয়েছেন, ‘সেচ দফতর পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিচ্ছি। এলাকা ঘুরে দেখেছি। ভয়াবহ পরিস্থিতি। সেচ দফতর আপ্রাণ চেষ্টা করছে। কিন্তু আটকাতে পারছে না। পুরো জায়গা নদীর করাল গ্রাসে চলে গিয়েছে। একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক ছিলেন আমাদের সঙ্গে। পুজোর মধ্যে মানুষ খুব বিপদে রয়েছে। ত্রাণ দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। তার মধ্যে আবার হাতি উৎপাত করেছে। চিতা বাঘও রয়েছে। দু’য়ে মিলে জায়গাটা খুবই বিপদ সঙ্কুল।’   

আরও পড়ুন, ‘অর্জুনের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে’, দাবি সোমনাথের

ভাঙনের জেরে কার্যত নিশ্চিহ্ন হতে বসা চমকডাঙি গ্রামে ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ভক্তিনগর থানা থেকে খাবার ও ত্রিপলের ব্যবস্থা করা হয়েছে গ্রাম্বাসীদের জন্য। সেচ দফতরের লোকেরাও কাজ শুরু করেছেন। কিন্তু ভাঙন ঠেকাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরাও। গ্রামবাসীরা একযোগে বলছেন, সঠিক সময়ে কাজ শুরু করলে আজ তাদের এই দুরবস্থার মধ্যে পড়তে হত না। যদিও নদী বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটা হওয়ার কথাই ছিল। তিস্তার বুকে চরা পড়ে আর নদীর গতিপথ বদলে গিয়ে এখন চমকডাঙির মতো গ্রাম তিস্তার মূল স্রোতের মুখে পড়ে পড়ে গিয়েছে। ফলে গ্রামখানি আর নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারছে না। এইরকম অনেক গ্রামই তিস্তার গর্ভে যাবে।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00