নিজস্ব প্রতিনিধি: গত শনিবার ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির দাপুটে পরিচালক অরিন্দম শীলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অরিন্দম শীলের সাসপেনশনের খবর পেয়েই আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন টলিউডের একাধিক অভিনেত্রী। অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে একজন উঠতি অভিনেত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে, পরিচালকের ছবির একটি দৃশ্যে তাঁকে চুম্বন খেতে হয়েছিল, যেটা ছবির স্ক্রিপ্টেই ছিল না। পরিচালককে বিষয়টি নিয়ে জানালে তিনি দুর্ঘটনা বলে বিষয়টিকে এড়িয়ে যান। কিন্তু অভিযোগকারী মেয়েটি তা মানতে রাজি নয়। সে বলে, কোনও দুর্ঘটনা নয়, পরিচালক ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেছিল, বিষয়টিতে অনিচ্ছাকৃত শব্দটি খাটে না।
তবে এ বিষয়ে অরিন্দম শীল জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশন যা বলবেন তিনি তাই করবেন। এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগে বড়সড় বিপাকে পড়লেন অরিন্দম শীল। পরিচালকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হল। যে অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে অরিন্দম শীলকে ডিরেক্টর্স গিল্ড থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল তিনিই সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এবং ৩৫৪ ও ৫০৪ ধারায় একটি মামলা রুজু হয়েছে বলে খবর।
এর আগে এই বিষয়ে একটি বলতে গিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমকে পরিচালক জানিয়েছিলেন, ওই অভিনেত্রীর করা শ্লীলতাহানির অভিযোগটি ‘একটি খুনির সন্ধানে’ সিনেমার সেটে হয়েছে। সাহেব চট্টোপাধ্যায় ও অভিযোগকারী অভিনেত্রীকে তিনি একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তা একটি ‘চিট শট’ ছিল। শট বুঝিয়েও দিচ্ছিলেন। সেই সময় ‘অ্যাক্সিডেন্টালি’ পরিচালকের মুখ অভিনেত্রীর গালে লেগে যায়। যা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত, কিন্তু এই বিষয়ে তখন তিনি কিছুই জানাননি। তবে এই বিষয়ে অরিন্দম শীল মহিলা কমিশনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে একটি লিখিত নিবেদন করেন। সেখানেও পরিচালক জানিয়েছেন, তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবেই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।