Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মেঘনাদের মার খাওয়া, ২৪ পদ্মনেতার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার, বিজেপিতে প্রশ্নের মুখে শুভেন্দুর দাপট

অনেকেই মনে করছেন, পদ্ম শিবিরের একটা বড় অংশই উঠে পড়ে লেগেছেন শিশির পুত্রের বিরুদ্ধে। আর তাতেই দলের অন্দরেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে তাঁর দাপট।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যেতেই পারে, কারও সঙ্গে কারও কোনও সম্পর্ক নেই। দুটি ঘটনাই পৃথক পৃথক। কিন্তু দুটি ঘটনাই ঘটেছে একই সময়ে, একই জেলায়, একই দলে। একই সঙ্গে সবটাই যাচ্ছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে। তাই সব কিছুই নিছক মামুলি ঘটনা এটা ভেবে নেওয়া ঠিক হবে না। বরঞ্চ এখন অনেকেই মনে করছেন, পদ্ম শিবিরের একটা বড় অংশই উঠে পড়ে লেগেছেন শিশির পুত্রের বিরুদ্ধে। তুমি দল ছাড়ো আর নাই ছাড়ো, আমরা তোমাকে তাড়িয়ে ছাড়বো – এমনটাই তাঁদের মনোভাব। আর সেটাই কার্যত বঙ্গ বিজেপিতে(Bengal BJP) শুভেন্দুর দাপটকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। 

আরও পড়ুন, ২০০ জন চাকরিপ্রার্থী সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও মেধা তালিকায় স্থান পাননি, মামলা হাইকোর্টে

ঠিক কী হয়েছে? মেঘনাদ পাল(Meghnad Pal)। ইনি হলেন সেই মেঘনাদ যাকে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) ফোন করেছিলেন জোড়াফুল শিবিরের হয়ে কাজ করার জন্য। মেঘনাদ তো সেই প্রস্তাবে রাজিই হননি, উল্টে সেই সময় মমতা ও তাঁর কথোপকথনের অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করে দিয়ে তা ভাইরাল করে দিয়েছিলেন। শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ সেই মেঘনাদ একুশের বিধানসভার নির্বাচনের পর থেকেই নন্দীগ্রামে তো বটেই গোটা পূর্ব মেদিনীপুর(Purba Midnapur) জেলাতেই বিজেপির মধ্যে কার্যত সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। কেননা তিনি জেলা বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক। মেঘনাদের মাধ্যমেই পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি ও নন্দীগ্রামকে(Nandigram) অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এহেন মেঘনাদ মার খেয়েছেন বিজেপিরই নেতাদের হাতে, আর সেটাও খাস নন্দীগ্রামের মাটিতে। যেখানে এতদিন মেঘনাদের সামনে আঙুল তুলে কথা বলার সাহস দেখাতো না কেউ, সেখানে মার খেতে হচ্ছে মেঘনাদকে। সেটাও আবার দলেরই নেতাদের হাতে!

আরও পড়ুন, আলো নিভিয়ে আর জি করের প্রতিবাদ ৪৪ লক্ষ পরিবারের

নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। বিজেপির নির্বাচিত কিছু সদস্য প্রধান ও এক পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। তাঁরা ঘটনার তদন্তের দাবি করে জেলাশাসক এবং বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিলের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া, অনলাইনের পরিবর্তে অফলাইন টেন্ডার ডেকে কাছের লোকদের কাজ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। গতকাল অর্থাৎ শনিবার, মেঘনাদ মধ্যস্থতায় গোকুলনগর পঞ্চায়েত অফিসে মিটিং ডাকা হয়েছিল। মেঘনাদ গিয়েওছিলেন। কিন্তু গিয়ে মারও খেলেন। নিরাপত্তারক্ষীরা কোনওরকমে তাঁকে মিটিং হল থেকে বের করে আনেন। তাঁর এক সঙ্গীও মার খেয়েছেন বলেই অভিযোগ। গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যত আড়াআড়িভাবে বিভাজিত হয়ে গিয়েছে। বিভাজন এতটাই প্রকট যে, পঞ্চায়েতের সাধারণ সভার মিটিংয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য উপস্থিত হননি। একইভাবে সোশ্যাল অডিট বিষয়ক সভাতেও অধিকাংশ সদস্য গরহাজির।

আরও পড়ুন, বদ অভ্যাস আপনার কিন্তু লক্ষ্মীলাভ পূর্ব রেলের, আয় ২২ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা

আবার গতকালই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ২৪ জন বিজেপি নেতার দেহরক্ষী হিসেবে থাকা আধাসেনা তুলে নিয়েছে অমিত শাহের(Amit Shah) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। লোকসভা ভোটের সময় ওইসব বিজেপি নেতার সুরক্ষায় আধাসেনা দেওয়া হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার প্রায় চার মাস পরও ওই নেতারা আধাসেনা ছাড়েননি। অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই জেলায় একসঙ্গে ২৪জন নেতার দেহরক্ষী তুলে নিয়েছে। এই ২৪জন নেতাই শুভেন্দু অনুগামী। কেউই নিরাপত্তা ছাড়তে রাজী ছিলেন না। কিন্তু অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেহরক্ষী ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা দেহরক্ষী পেতে আগ্রহী তাঁদের দলের পক্ষ থেকে আগামী আবেদন জানানোর আশ্বাসবাণী শোনানো হয়েছে। যদিও সেই আশ্বাস কতখানি বাস্তবে রূপ পাবে তা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ আছে খোদ পদ্মশিবিরেই। আর এই দুই ঘটনাই যেন বলে দিচ্ছে, খোদ বিজেপির মধ্যেই এখন প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছে শুভেন্দুর দাপট। কোথাও একটা যেন নিঃশব্দ বার্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। আর সেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে দলের অন্দর থেকেই। অথচ এই সব ইস্যুতে শুভেন্দুর পাশে কোনও পদ্মনেতাকেই দেখা যাচ্ছে না।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00