Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বাংলার চাপে ১১৬ বছরের পুরনো রেজিস্ট্রেশন আইন পরিবর্তনের পথে মোদি সরকার

বাংলার চাপে অবশেষে নরেন্দ্র মোদি সরকার ১১৬ বছরের পুরনো রেজিস্ট্রেশন আইনে পরিবর্তন আনতে চলেছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ১৩ বছরে জমি-বাড়ি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে একাধিক অত্যাধুনিক ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার। কোভিড কালে শুরু হয়েছিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্পূর্ণ Faceless বা বাড়িতে বসে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন(Online Registration) প্রক্রিয়া চালু করা যায়নি। জমি-বাড়ি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে জালিয়াতি ঠেকাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনে যে পরিবর্তন, সেই বিষয়টি বাংলা সহ দেশে একাধিক রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে জানানো হয়েছিল। শেষমেষ কার্যত বাংলার চাপে অবশেষে নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) সরকার ১১৬ বছরের পুরনো রেজিস্ট্রেশন আইনে(The Registration Act 1908) পরিবর্তন আনতে চলেছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন, নারী নির্যাতনে অভিযুক্ত আর শাস্তিপ্রাপ্তরাই আরজি কর আন্দোলনে সিপিএমের মুখ

বর্তমানে জমি-বাড়ির রেজিস্ট্রেশন হয় ১৯০৮ সালের Registration Act অনুযায়ী। সম্প্রতি, দেশে ভারতীয় দন্ডবিধি বা Indian Penal Code (IPC) পরিবর্তে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা BNS কার্যকর করেছে কেন্দ্র। অথচ Registration Act বদল করা নিয়ে রাজ্যের তরফে বেশ কয়েক বছর ধরে বারংবার বলা হলেও কেন্দ্রের তরফে তা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, বাংলা, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাজ্য সম্প্রতি এই দাবিতে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। তার পরেই নড়েচড়ে বসেছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, বর্তমান আইনে সংশোধনী আনার বদলে সময়োপযোগী বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দিয়ে একেবারে নতুন আইন আনতে রাজ্যগুলির সঙ্গে ভার্চুয়ালি আলোচনা শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার। এক্ষেত্রে ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলির মতামতও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন, ‘অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’, জয়কে ঘিরে মমতার শাহি খোঁচা

রাজ্যের প্রশাসনিক মহলের মতে, ১৯০৮ সালের পরিস্থিতির সঙ্গে ২০২৪ সালের কোনও মিল নেই। বিভিন্ন সময়ে সংশোধনী হলেও বর্তমানে এর ঢালাও পরিবর্তন প্রয়োজন। না হলে বহু ক্ষেত্রে আটকে যাচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি যত বেশি অনলাইন নির্ভর করা যাবে, এই ক্ষেত্রে তত কমবে জালিয়াতির ঘটনা। ভোগান্তির শিকার হতে হবে না আমজনতাকে। এটা কেন্দ্রীয় আইন। ফলে নয়াদিল্লি নতুন আইন বা পুরাতন আইনে ঢালাও পরিবর্তন না আনলে সংশোধনীর ক্ষেত্রে রাজ্যগুলির হাত বাঁধা থাকছে। কেন্দ্রের তরফে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সমস্ত কাজকর্মের ভার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে থাকা Department of Land Resources’র। সূত্রের খবর, আইন বদল হলে Sub Registrar-দের ক্ষমতা অনেকটা বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন বেশ কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকের নাম ব্যবহার করে অন্য কোনও ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। নয়া আইন তৈরি হলে এই ধরনের অভিযোগ যাতে একটিও না আসে, তা সুনিশ্চিত করা যাবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00