Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

কৃষ্ণনগরে গুলি চালনার ঘটনায় ধৃত কুণাল তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা

কৃষ্ণনগরের বুকে গুলি চালনার ঘটনায় ধৃতদের ২জনের মধ্যে ১জন নাকি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা। তবে এই বিষয়ে পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের আবহে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে(TMC) অস্বস্তিতে ফেলে দিল নদিয়া(Nadia) জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরের(Krishnanagar) বুকে গুলি চালনার ঘটনা(Firing Incident)। কেননা সেই ঘটনায় শুক্রবার রাতে পুলিশ যে ২জনকে গ্রেফতার(Arrested) করেছে তাদের একজন শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা(Students Wing Leader) হিসাবে দাবি করছে রাজ্যের সংবাদমাধ্যমের একাংশ। যদিও পুলিশ এখনও সেভাবে কিছু জানায়নি। শুক্রবার ভোররাতে কৃষ্ণনগরের গোয়ারি বাজারে মাছের আড়তে মাছ কিনতে গিয়ে কৃষ্ণনগরের নগেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা তথা দুই ভাই সমীর ঘোষ এবং বিশ্বনাথ ঘোষ আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন। সেই আক্রমণ ধেয়ে এসেছিল সৈকত হালদার ও কুণাল হালদারের(Kunal Haldar) দিক থেকে। সৈকত এলাকার নামজাদা দুষ্কৃতী। তারই শাকরেদ হিসাবে নাম উঠে এসেছ কুণালের। এই কুণালই ঘটনার সময় ওই দুই মাছ ব্যবসায়ী তথা ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। একটি গুলি বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে লাগে। বিশ্বনাথকে বাঁচাতে গেলে সমীর ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যদিও সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ওই ঘটনায় শুক্রবার রাতে কৃষ্ণনগর শহরের পিডব্লুডি মোড় থেকে সৈকত আর কুণালকে গ্রেফতার করেছে। এদিন অর্থাৎ শনিবার তাদের কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে তোলা হয়।

কৃষ্ণনগরের নগেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা সমীর ঘোষ ও বিশ্বনাথ ঘোষ মাছের ব্যবসা করেন। কৃষ্ণনগর গোয়ারি বাজার থেকে মাছ কিনে তাঁরা পাত্র বাজারে বিক্রি করেন। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোররাতেও তারা গোয়ারি বাজারের মাছের আড়তে মাছ কিনতে যান। সেখানে সৈকত তাঁদের কাছে তোলা দাবি করে। তোলা দিতে অস্বীকার করেন বিশ্বনাথবাবু। তারপরেই একটি পিস্তল বের করে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে সৈকতের সঙ্গে থাকা কুণাল। বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে গুলি লাগায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। এরপরেই বন্দুক দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে কুণাল। জানা যায় পরপর সেদিন ৪ রাউন্ড গুলি চলেছিল। বিশ্বনাথবাবু ও তাঁর ভাইয়ের চিৎকার চেঁচামেচি এবং গুলির আওয়াজে ওই বাজারের অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় সৈকত আর কুণাল। রক্তাক্ত অবস্থায় বিশ্বনাথ ঘোষকে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন বিশ্বনাথ ঘোষ।

ঘটনার তদন্ত করতে নেমে পুলিশ সৈকতের নাম পেয়েছিল। সেই সূত্রেই গতকাল রাতে সৈকতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় কুণালও তার সঙ্গে ছিল। তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে পুলিশ সৈকতের সঙ্গে ঘটনার দিন কুণালের থাকার বিষয়টিতে নিশ্চিত হয়। তবে দুইজনের কাউকেই চিনতেন না বিশ্বনাথবাবুরা। এলাকার লোকের বক্তব্যের সূত্র ধরেই পুলিশ বুঝতে পারে সৈকত আর কুণাল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এখন অভিযোগ উঠছে কুণাল নাকি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা। যদিও পুলিশ বা স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি। বিশ্বনাথবাবু জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে অভিযুক্তদের পুরনো কোন শত্রুতা নেই। তবে যারা গুলি চালিয়েছে তারা ওই এলাকার সমাজবিরোধী। ওরা টাকা চেয়েছিল। তাঁরা দিতে অস্বীকার করাতেই এই আক্রমণের ঘটনা ঘতেছে। তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা চান, অবিলম্বে প্রশাসন সৈকত আর কুণালের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00