Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ঝাড়গ্রামে ঝটিকা হানা পদ্মের, জমি ফিরিয়ে আসন দখলে মরিয়া তৃণমূল

উনিশের ভোটে পদ্মের দখল নেমে এসেছিল ঝাড়গ্রামের বুকে। তৃণমূল এবার কোমর বেঁধেছে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের দখল ফের নিজেদের হাতে তুলে নিতে।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: শাল, শিমুল, পলাশ, মহুয়ার বনে লেগেছিল অশান্তির আগুন। নিত্যদিন খুন হতেন মানুষ। সবুজের বনে লেগেছিল রক্তের দাগ। ঝাড়গ্রামের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জঙ্গলমহল(Jungalmahal)। আর জঙ্গলমহল মানেই মাওবাদীদের একসময়ের অবাধ বিচরণ। এখন সেখানে শান্তি আর উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ। তারপরেও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ঝাড়গ্রাম থেকেই জিতেছিল বিজেপি(BJP)। যাদের এই এলাকার উন্নয়নের কোনও ভূমিকাই নেই। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে পদ্মের দখল নেমে এসেছিল ঝাড়গ্রামের বুকে। কিন্তু পদ্মের সেই ঝটিকা হানায় গুটিয়ে যায়নি ঘাসফুল। বরঞ্চ আদিবাসী মানুষদের পাশে নিয়ে, জনসংযোগে জোর দিয়ে, মানুষের অভাব-অভিযোগের সুরাহা করে তৃণমূল(TMC) এবার কোমর বেঁধেছে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের(Jhargram Constituency) দখল ফের নিজেদের হাতে তুলে নিতে।  

নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, গড়বেতা, শালবণি, বিনপুর ও বান্দোয়ান – এই ৭ লোকসভা কেন্দ্র নিয়ে ঝাড়গ্রাম লোকসভার গঠন। ১৯৬২ সালে জন্ম হয় ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্র। তারপর ২ দফায় কংগ্রেসের হাতে এবং ১ দফা বাংলা কংগ্রেসের হাত ঘুরে এই কেন্দ্র চলে যায় লাল পার্টির দখলে। ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১৪, টানা ৩৭ বছর এই কেন্দ্র ছিল বামেদের দখলে। মাওবাদীদের হাত ধরে জঙ্গলমহলের বুকে আমজনতার গণ অভ্যুত্থান কিন্তু সেই লাল পার্টির সংগঠনের পাশাপাশি তাঁদের সমর্থনের ঝুলিতেও ধস নামিয়ে দেয়। সেই ধসে ভর দিয়েই ২০১৪ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্র দখল করে তৃণমূল। ২০০৯ সালে বামেরা শেষবারের মতো ঝাড়গ্রাম থেকে জয়ী হয়েছিল প্রায় ৩ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে। ২০১৪ সালে সেই বামেরাই হেরে যায় তৃণমূলের কাছে। তৃণমূল জেতে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে। সেই নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ৬ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোট। বাম প্রার্থী পেয়েছিলেন ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ভোট। আর বিজেপির জুটেছিল ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোট। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছিল মাত্র ৪০ হাজার ভোট। কিন্তু উনিশেই ছবি বদলে যায়। ঝাড়গ্রাম চলে যায় বিজেপির দখলে। তবে বড় ব্যবধানে সেই নির্বাচনে জয়ের মুখ দেখেনি বিজেপি।

উনিশের ভোটে বিজেপি জিতেছিল মাত্র ১১ হাজার ভোটের ব্যবধানে। সেই নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কুনার হেমব্রম পেয়েছিলেন ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ভোট। তৃণমূল পেয়েছিল ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ভোট। বামেদের ঝুলিতে গিয়েছিল ৭৫ হাজার ভোট। কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ২০ হাজার ভোট। কিন্তু বিজেপিও এই নির্বাচনের লিড ধরে রাখতে পারেনি বেশিদিন। একুশের ভোটেই ঝাড়গ্রামে মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁরা। ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রেই সেই নির্বাচনে জয়ী হয় তৃণমূল। সব মিলিয়ে এই লোকসভা কেন্দ্রে সেই সময়েই তৃণমূল বিজেপির থেকে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ভোটের লিড তোলে। স্বাভাবিক ভাবেই এবারে তৃণমূল এই নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম জয়ে রীতিমত আত্মবিশ্বাসী। মজার কথা গতবার বিজেপির যে প্রার্থী ঝাড়গ্রামে জয়ী হয়েছিলেন, সেই কুনার হেমব্রমকে পদ্ম শিবির এবার প্রার্থীই করেনি। কুনার আবার কিছুদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। আবার সেই কুনারের আত্মীয় তথা সাহিত্যিক কালীপদ সোরেন এবার তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন। মাঠে আছেন বাম-কংগ্রেসের প্রার্থী সোনামণি মূর্মুও। আছেন কুড়মি সমাজের প্রার্থী বরুণ মাহাতো। আছেন বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুও। যদিও কেউই জানেন না, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের লড়াইটা হবে ঠিক কার সঙ্গে। যদিও সম্ভাবনায় থাকছে বাম-কংগ্রেস প্রার্থীর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার অঙ্ক।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00