Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সিতাই ধরে রাখতে ঘর গোছাচ্ছে তৃণমূল, ছন্নছাড়া দশা বিজেপির

সিতাইয়ে তৃণমূল যখন ঘর গোচ্ছাচ্ছে তখন চূড়ান্ত ছন্নছাড়া অবস্থায় রয়েছে বিজেপি। তাঁদের শিবিরে ভোট প্রস্তুতির কোনও ছবিই ধরা পড়ছে না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: জল্পনা ছড়িয়েছিল, সম্ভাবনাও ছিল, পুজোর আগেই হতে পারে রাজ্যের ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন(Bye Election in 6 Assembly Seats)। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন কমিশন হরিয়ানা ও জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেও অদ্ভূত ভাবে বাংলার(Bengal) ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন নিয়ে নীরব থেকে গিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে মনে করা হচ্ছে, উৎসব মরশুম শেষ হলে হয়তো কমিশন সেই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। সেক্ষেত্রে নভেম্বরে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে ডিসেম্বরে ভোট করাতে পারে কমিশন। সেই নির্বাচন যখনই হোক না কেন, এখন থেকেই সেই নির্বাচনের প্রস্তুতি তলে তলে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলার(Coachbehar District) সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে(Sitai Assembly Seat) সেই ভোট প্রস্তুতি এখন বেশ চোখে পড়ছে। কিন্তু মজার কথা হল, সিতাইয়ে তৃণমূল যখন ঘর গোচ্ছাচ্ছে তখন চূড়ান্ত ছন্নছাড়া অবস্থায় রয়েছে বিজেপি(BJP)। তাঁদের শিবিরে ভোট প্রস্তুতির কোনও ছবিই ধরা পড়ছে না।

আরও পড়ুন, মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ বোলপুরে, কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

সিতাই দীর্ঘদিনের বাম বিরোধী দুর্গ। ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত এই বিধানসভা কেন্দ্র ছিল কংগ্রেসের দখলে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তা ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের দখলে। ১৯৯১ সালে ফজলে হক নির্দল প্রার্থী হিসাবে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হলেও ১৯৯৬ সালে তিনি বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যান। সেই হারের পিছনে কাজ করেছিল বাম বিরোধী ভোটে কংগ্রেসের ভাগ বসানোর ঘটনা। পরে ফজলে হক কংগ্রেসে যোগ দেন ও ২০০৬ সালে তিনি ফের কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে সিতাই থেকে জয়ী হন। ২০০৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সিতাই ছিল কংগ্রেসের দখলে। কিন্তু একুশের ভোটে সেই কেন্দ্রের দখল নেয় তৃণমূল। জয়ী হন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। ২০১৯ সালে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির নিশীথ প্রামাণিক জয়ী হলেও সিতাই থেকে সেই নির্বাচনে লিড পেয়েছিল তৃণমূল। একুশের ভোটেও জেলার ৯টির মধ্যে ৭টি আসন বিজেপির দখলে গেলেও সিতাই এসেছিল তৃণমূলের দখলে। এবারের লোকসভা নির্বাচনে জগদীশবাবুকেই কোচবিহার থেকে টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল। সেই যুদ্ধে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথকে হারিয়ে জয়ী হন জগদীশবাবু। আর তার জেরেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন সিতাইয়ের বিধায়ক হিসাবে। সেই কারণেই এখন সিতাইয়ে উপনির্বাচনের ঘটনা ঘটতে চলেছে।

আরও পড়ুন, আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সিভিকের পলিগ্রাফ টেস্ট পিছিয়ে গেল, চক্রান্তের অভিযোগ তৃণমূলের

উপনির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই তৃণমূল সেখানে ঘর গোছানোর কাজে মন দিয়েছে। ভোট ঘোষণার আগে থেকেই দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য জেলা ও ব্লক সংগঠনকে নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই এখন থেকেই সিতাইয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে, বুথে বুথে তৃণমূলের সাংগঠনিক মিটিং। সেই সঙ্গে চলছে বিরোধী শিবিরে ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখানোর  হিড়িক। এর ঠিক বিপরীত চিত্র বিজেপির। কোচবিহার লোকসভা আসন হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই শুধু সিতাইয়েই নয়, কার্যত গোটা জেলাজুড়েই ছন্নছাড়া দশা গেরুয়া শিবিরের। লোকসভা ভোটে হেরে যাওয়ার পর সিতাই বিধানসভা এলাকায় সেভাবে কোনও কর্মসূচিই করতে পারেনি বিজেপি। সংগঠনেও ধস নেমেছে। গত পঞ্চায়েত ভোটে এই বিধানসভায় ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। ১৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে মাত্র ২টি পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে যায়। লোকসভা ভোটে হারের পরে সেই ২ গ্রাম পঞ্চায়েত ভেটাগুড়ি-২ ও মাতালহাটও এখন তৃণমূলের দখলে চলে এসেছে। এখন সিতাইয়ের উপনির্বাচনে তৃণমূল রীতিমত আত্মবিশ্বাসী এই আসন ধরে রাখা নিয়ে। কেননা লোকসভা নির্বাচনে এই আসন থেকেই তৃণমূল ২৮ হাজারের বেশি ভোটে লিড পেয়েছে। এখন তৃণমূলের লক্ষ্য এই মার্জিনকে ধরে রাখার পাশাপাশি আসনটিও ধরে রাখা।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00