Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

Organized Crime Control Cell, চালুর ভাবনাচিন্তা চলছে রাজ্য সরকারের

রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে ‘সংগঠিত অপরাধ’ নিয়ন্ত্রণে Organized Crime Control Cell চালু করার।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মোদি জমানায় দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে একের পর এক ‘সংগঠিত অপরাধ’ বা Organized Crime’র ঘটনা মুড়ি মুড়কির মতো নিত্যদিনই সামনে আসছে। যদিও সেই সব ঘটনা ঠেকাতে দেশের কোনও ডবল ইঞ্জিন রাজ্যকেই সেভাবে কোনও পদক্ষেপ করতে দেখা যায়নি। কিন্তু বাংলা বিজেপি শাসিত রাজ্য না হলেও এখানেও এখন দেখা যাচ্ছে, ‘সংগঠিত অপরাধ’র ঘটনা ঘটছে। আর সেই সব ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) সরকার এবং শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। সেই জায়গা থেকেই এবার রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে ‘সংগঠিত অপরাধ’ নিয়ন্ত্রণে Organized Crime Control Cell চালু করার। নবান্ন সূত্রে তেমনটাই জানা গিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বিশেষ সেল থাকবে পুলিশের অধীনে বা নিয়ন্ত্রণে। রাজ্য(West Bengal State Police) বা কলকাতা পুলিশের(Kolkata Police) এমন কোনও সেল আর আগেও ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু দেশের ও রাজ্যের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এবার এই ধরনের সেল চালু করার কথাবার্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন, উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই মন্ত্রিসভার বৈঠক, তারপরেই পর্যালোচনা বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

সন্দেশখালি থেকে আর জি কর আন্দোলন— বারে বারে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে রাজ্যকে। বাংলাদেশ-পরিস্থিতির পরে এমন অভ্যন্তরীণ সুরক্ষাকবচ জরুরি বলেও মনে করছেন রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও। যদিও সরকারি ভাবে এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে চাইছেন না এখনই। দেশের মধ্যে একমাত্র মহারাষ্ট্রে Control of Organized Crime Act রয়েছে। কিন্তু বাংলায় এমন কোনও আইন নেই। সাধারণ ভাবে ‘সংগঠিত অপরাধ’ বলতে বোঝায় এক বা একাধিক ব্যক্তির দ্বারা সুপরিকল্পিত ভাবে কোনও অপরাধ সংগঠিত হওয়া। তা জঙ্গি তৎপরতা, নাশকতা, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি নিয়ে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলা ইত্যাদি নানা ধরনের হতে পারে। ফলে প্রশাসনকে আগে থেকে সতর্ক থাকতে হয়। তার মূল মন্ত্র গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তার ভিত্তিতে সূত্র একত্রিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য প্রতিহত করা। আবার সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য রাখাও অন্যতম কৌশল।

আরও পড়ুন, পুজোর মুখে বেতন বাড়ল কন্যাশ্রী-রূপশ্রী প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত নন-আইটি অস্থায়ী কর্মীদের

সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গিতে এ রাজ্যের বুকে ঘটে যাওয়া সন্দেশখালি বা আর জি কর-কাণ্ডের পরে হওয়া আন্দোলনকে স্বতঃস্ফূর্ত বলেই মনে করে সমাজের বিভিন্ন মহল। কিন্তু এ সবের নেপথ্যে উস্কানি ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে প্রশাসনিক ভাবে। এমনকি, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে’ সমর্থন জানিয়েও সরকারি ভাবে দাবি করা হয়েছিল, জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের নেপথ্যে কোনও শক্তির ইন্ধন রয়েছে। অতীতে বহু বার গোয়েন্দা তথ্য সময়মতো না-পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। গোয়েন্দা বিভাগকে শক্তিশালী করতে পদক্ষেপের নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার পরেও রাজ্যের নানা প্রান্তে বিক্ষিপ্ত ভাবে সরকারবিরোধী অনেক প্রতিবাদের আঁচ সময়মতো সরকার পায়নি বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশে পরিস্থিতি বদল হওয়া বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্যের খামতিও কাঙ্ক্ষিত নয়। কারণ, সে দেশের নিকটতম প্রতিবেশী এ রাজ্যই। আর জি কর-কাণ্ডের পরে নাগরিক সমাজ এবং জুনিয়র চিকিৎসকদের টানা আন্দোলন সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। এর আবহে রাজ্য পুলিশের অভিজ্ঞ কর্তাদের দাবি, আগামী দিনে এ রাজ্যে Organized Crime Control Cell চালু হলে পুলিশের পাশাপাশি এই সংগঠনের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00