Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

বালি খাদান থেকেই ১০০০ কোটির রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যের কোষাগারে ১০০০ কোটি টাকা ঢোকানোর পরিকল্পন সেরে ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কমবে বালির দামও।

Share:

কৌশিক দে সরকার: ৩৪ বছরের বাম অপশাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন তখন রাজ্যের কোষাগারের(State Treasury) হাল ছিল খুবই খারাপ। ১০০ টাকা আয় করতে হলে প্রায় দ্বিগুণ টাকা খরচ করতে হতো। কিন্তু গত সাড়ে ১২ বছরে ধাপে ধাপে মুখ্যমন্ত্রী সেই আয় বাড়িয়েছেন কয়েকগুণ। একদিকে যেমন রাজস্ব আদায়ের(Tax Collection) ওপর জোর দিয়েছেন তেমনি আমজনতার হাতে টাকা পৌঁছে দিতে একের পর এক আর্থসামাজিক প্রকল্প চালু করেছেন। এখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশে কেন্দ্র সরকার একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে দিলেও বাংলা যে আর্থিক ভাবে প্নগু হয়ে যায়নি তার একমাত্র কারণ রাজ্যের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আমজনতার আয়বৃদ্ধির দিকেও নজর দিয়েছেন। চালু করেছেন লক্ষ্মীর ভান্ডার, কৃষকবন্ধু, বাংলা শস্য বিমা যোজনা, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, জয় জোহর, জয় বাংলা, তপশিলী বন্ধুর মতো প্রকল্প। এবার ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যের কোষাগারে ১০০০ কোটি টাকা ঢোকানোর পরিকল্পন সেরে ফেলেছে তাঁর সরকার। আর সেই টাকা আসবে বালি খাদান(Sand Mine) থেকে। 

২০২১ সালে রাজ্য সরকার বালি খাদান নীতি লাগু করে। এই নীতির মাধ্যমে নদীর বস্তুতন্ত্র, তার গতিপথ রক্ষার পাশাপাশি বালির চোরাচালান ও বেআইনি বালি খাদান রোধের ওপর জোর দেওয়া হয়। এই নীতি লাগুর আগে বালি খাদান থেকে রাজ্যের কোষাগারে একটি অর্থবর্ষে মাত্র ১৫০ কোটি টাকা আসত। কেননা আগে এই সব বালি খাদানের নিলাম ও তা থেকে রাজস্ত আদায় সবটাই হতো লোক লাগিয়ে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা বিষয়টি অনলাইনে(Online E Auction) নিয়ে আসেন। তার জেরে এখন আর রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কোন জেলার কোন নদীর কোথাকার বালি খাদান কত টাকায় নিলাম হচ্ছে ও তা থেকে রাজ্যের কোষাগারে রাজস্ব হিসাবে কত টাকা আসছে তা এখন সবটাই নবান্নের নজরদারির আওতায় চলে এসেছে। ফলে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার রাস্তাটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর সেই সূত্রেই রাজ্য সরকার আগামী অর্থবর্ষে অর্থাৎ ২০২৪-২৫ বর্ষে রাজ্যের কোষাগারে ১০০০ কোটির রাজস্ব বালি খাদান থেকে আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে নিয়েছেন। বস্তুত এই লক্ষ্যমাত্রা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ঠিক করে দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের দরুণ লাভ হতে চলেছে আমজনতারও। কেন? আগে যখন লোক দিয়ে বালি খাদান নিলাম করা হতো তখন বালির দাম নিয়ন্ত্রণের ওপর রাজ্য সরকারের কোনও জায়গা ছিল না। বালির ব্যবসায়ীরা কার্যত চাড় দরে বালি বিক্রি করতেন মূলত প্রোমোটারদের বা ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ীদের। সেই বালি দিয়ে যখন বাড়ি বা বহুতল বানানো হতো তখন তার নির্মাণ খরচও বেড়ে যেত যা বাড়ির মালিক বা ফ্ল্যাটের ক্রেতাকে বহণ করতে হতো। কিন্তু এখন বালির খাদানের নিলাম হয় রাজ্যে সরকারের ঠিক করে দেওয়া দামে। ফলে বালির ব্যবসায়ীরাও আর যা খুশি যখন খুশি দর হাঁকাতে পারবেন না। তাতে কিছুটা হলেও ভার লাঘব হবে আমজনতারও।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00