Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দিল হাইকোর্ট, সাসপেনশন কার্যকর নয় ৫১জন জুনিয়র ডাক্তারের

আদালত জানিয়েছে, আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫১জন জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেন্ড করে যে নির্দেশ দিয়েছিল তা কার্যকরী হবে না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আঁচ মিলেছিল গতকালের বৈঠকেই। এদিন মিলল সেই মতের ওপর আইনি সিদ্ধতা। আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের(R G Kar Medical College and Hospital) ৫১ জন জুনিয়র ডাক্তার Threat Culture গড়ে তুলেছিলেন হাসপাতালের পূর্বতন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের মদতে। এমনই অভিযোগের জেরে সন্দীপ পরবর্তীকালের অধ্যক্ষ মানস কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ৫১ জন জুনিয়র ডাক্তারকে(51 Junior Doctors) সাসপেন্ড করে দেন। সেই ঘটনার জেরে বিপাকে প্যড়েন ওই ৫১জন চিকিৎসক। তাঁদের পাল্টা দাবি, সন্দীপ জমানার Threat Culture’র সঙ্গে তাঁরা জড়িত নন। তাঁরা তৃণমূলের সমর্থক বলে এখন তাঁদের নামে মিথ্যা বদনাম দিয়ে তাঁদের কলেজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই ঘটনার জেরে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court) মামলা দায়েরও করেছিলেন। এদিন ছিল সেই মামলার শুনানি। সেখানেই আদালত জানিয়েছে, আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫১জন জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেন্ড করে যে নির্দেশ দিয়েছিল তা কার্যকরী হবে না। এই সাসপেনশন(Suspension) নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। বস্তুত গতকাল নবান্নের বৈঠকেও এই ইঙ্গিতই দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)।  

আরও পড়ুন, তারকেশ্বর লোহারের ছেলেকে মাদারিহাটে প্রার্থী করে মুখ পুড়ছে বিজেপির

গতকাল নবান্নে জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি ক্ষোভ উগরে দেন সকলের সামনে যে, কী ভাবে রাজ্যকে না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে বলেন, ‘ডায়মন্ডহারবারে কাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে তোমরা বলছো প্রিন্সিপালকে ঘেরাও করবে। আর জি করের প্রিন্সিপাল তো এখানে উপস্থিত আছেন। আপনিও তো ৫১ জনকে সাসপেন্ড করেছেন। স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছিলেন? কাউকে না জানিয়ে একা একা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন! এটা থ্রেট কালচার নয়? তদন্ত কমিটি রয়েছে, অভিযোগ থাকলে সেখানে জানান। তাঁরা তদন্ত করে দেখবে। তা না করে এভাবে কারও শিক্ষাগত ভবিষ্যৎ নষ্ট করা হোক, আমি চাই না। কারণ, ডাক্তারিতে চান্স পেতে একটা ছেলে বা মেয়েকে অনেক কষ্ট করতে হয়।’ এই সময় আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখ অনিকেত মাহাতো বলে ওঠেন, ‘ম্যাডাম ওরা নটোরিয়াস ক্রিমিনাল। গত ২ বছর ধরে আর জি করের অধ্যক্ষর ঘরে ঢুকতে হলে ২ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে হত।’ অনিকেতকে থামিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ‘আমি ক্রিমিনালের পক্ষেও নই, ধর্ষকের পক্ষেও নই। কিন্তু তোমরা আগে জানাওনি কেন? যেখানকার সমস্যা সেখানকার কেউ যদি মুখ না খোলে আমরা জানব কী করে?’

আরও পড়ুন, বাংলার ৫ জেলায় আবাসের সমীক্ষা বন্ধের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন

এরপরই রাজ্যের সমস্ত মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং সুপারদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ‘এবার থেকে কাউকে সাসপেন্ড করার আগে আমাদের জানাবেন। তদন্ত কমিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।’ মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণাকেই এদিন কার্যত মান্যতা দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন মামলার শুনানিকালে সাসপেন্ড হওয়া চিকিৎসকদের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন কেন তাঁর মক্কেলদের সাসপেন্ড করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ, তা নিয়ে স্পষ্ট করে রেজোলিউশনে(Resolution) কিছু বলা হয়নি। তিনি এ-ও দাবি করেছেন, ওই ৫১ জনকে সঙ্গত কারণ ছাড়াই সাসপেন্ড করা হয়েছে। আর জি কর হাসপাতালের আইনজীবী দাবি করেন, কর্তৃপক্ষ কাউকে সাসপেন্ড করেননি। রেজোলিউশন রাজ্যের কাছে পাঠানো হবে। রাজ্য সরকার এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এরপরেই আদালত জানিয়ে দেয় আর জি করে জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেন্ড করে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষ, তা কার্যকরী নয়। বিচারপতি কৌশিক চন্দের অবকাশকালীন বেঞ্চ জানায়, এই সাসপেনশন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য। তারা সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত গত ৫ অক্টোবর ৫১ জনকে সাসপেন্ড করে যে রেজোলিউশন নেওয়া হয়েছিল, তা কার্যকরী হবে না।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00