Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

আর জি কর মামলার কেস ডায়েরি জমা পড়ল হাইকোর্টে

আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ খুনের ঘটনার তদন্তের কেস ডায়েরি কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। 

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতার(Kolkata) আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের(R G Kar Medical College and Hospital) পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ খুনের(Doctor Rape and Murder Case) ঘটনায় ৫টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে(Calcutta High Court)। সেই সব মামলা এদিন একযোগে শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই মামলায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন জানান মৃতা চিকিৎসক পড়ুয়ার বাবা। তবে তিনি এদিন হাইকোর্টে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাননি। পরিবর্তে চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে পুলিশের তদন্ত চলুক। এই ঘটনায় শুধুমাত্র সঞ্জয় রাই একা জড়িত নাকি তাতে আরও কেউ জড়িয়ে আছে কিনা সেটাও তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসুক স্বচ্ছ ভাবে, তেমন আর্জিও জানান সদ্য কন্যাহারা পিতা। সেই আর্জি শুনেই কলকাতা হাইকোর্ট পুলিশি তদন্তের কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠায়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন সেই কেস ডায়রি(Case Dairy) কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। 

আরও পড়ুন, মমতার প্যাকেজ অস্ত্রে আন্দোলন অতীত পাঁচামিতে, কাজ চাইছেন আন্দোলনকারীরাই

এদিন শুধু কেস ডায়েরি নয়, আর জি করের সদ্যপ্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পদত্যাগপত্র, নতুন নিয়োগপত্রও জমা করা হয় হাইকোর্টে। পুলিশ রিপোর্ট দিয়ে ঘটনার তদন্তের ব্যাখ্যা করে আদালতে। কোন কোন সময়ে কী কী করা হয়েছিল, তা আদালতে জানায় রাজ্য। এদিন শুনানিকালে রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়, ‘আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পড়ুয়া চিকিৎসকের ধর্ষণ খুনের ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। কিছু লুকিয়ে রাখা হচ্ছে না। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আরও এক জন জড়িত। এর কোনও সত্যতা এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে প্রস্তুত। তদন্তের রিপোর্টও আমরা দেব। ৩৫-৪০ জনের বেশি লোকের বয়ান নেওয়া হয়েছে। আমাদের সময় দেওয়া হোক। প্রত্যেকের যে যে অভিযোগ রয়েছে, আগামী কাল সকাল সাড়ে ১০টায় সবার উত্তর দেব।’ রাজ্য সরকার আদালতে জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ টালা থানায় খবর পাঠানো হয় আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। খবর পেয়েই সকাল ১১টা নাগাদ হোমিসাইড বিভাগ হাসপাতালে পৌঁছয়। সাড়ে ১১টার মধ্যেই পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকেরা হাসপাতালে যান। ওই সময়ের মধ্যে ফরেন্সিক টিম হাসাপাতালের সেমিনার রুমে যায়। তার পর বিকেলে শিয়ালদহ কোর্টের বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে প্রাথমিক অনুসন্ধান করা হয়। 

আরও পড়ুন, আর জি কর কাণ্ডে তদন্ত কোন পথে, কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠালো কলকাতা হাইকোর্ট

একই সঙ্গে এদিন শুনানিকালে প্রশ্ন উঠেছিল মৃতার পরিবারকে কে বা কারা ফোন করে প্রথম জানিয়েছিল যে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছে? সেই প্রশ্নেরও এদিন উত্তর দিয়েছে রাজ্য সরকার। আর জি কর কাণ্ডে নিহত চিকিৎসকের পরিবারকে হাসপাতালের তরফে কে ফোন করে খবর দেন তা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল তা এদিন কাটিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকারই। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে রাজ্য সরকার জানায়, ফোন করা নিয়ে পরিবার যে দাবি করছে তা ঠিক। শুক্রবার সকালে মৃতার পবিবারকে দু’টো ফোন করা হয়েছিল। হাসপাতালের সহকারী সুপারই ফোন করে খবর দিয়েছিলেন। আর এখানেই প্রশ্ন আরও জোরদার হয়েছে, সহকারী সুপার কেন ধর্ষণ খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালাতে গিয়েছিলেন? কার নির্দেশে সেই কাজ তিনি করেছিলেন? ঘটনাচক্রে এই দুই প্রশ্নের উত্তর জানতে আর জি করের শকারী সুপারকে এদিনই আবার লালবাজের ডেকে পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ। অনেকেই মনে করছেন আর জি করের সদ্য পদ্যত্যাগী সন্দীপ ঘোষের নির্দেশেই সহকারী সুপার ওই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00