Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

রাজীবকে সেরেল্যাক খাওয়ার পরামর্শ দিলেন সৌমিত্র

শনিবারই ঘটেছে তৃণমূলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যাবর্তন। এরপর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁকে আক্রমণ করার পালা। এদিন রাজীবকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া সাংসদ সৌমিত্র খাঁও। তিনি রাজীবকে আক্রমণ করার পাশাপাশি 'সেরেল্যাক' খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে পা বাড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা ঘাসফুল শিবিরের হেভিওয়েট নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ভোটে নিজে তো হেরেইছেন, বিজেপিও হেরেছে। এরপর থেকেই রাজীবের সুর ক্রমশ বদলে যেতে শুরু করে। শেষে ৯ মাস পরে শনিবারই ঘটেছে তাঁর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন। এরপর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁকে আক্রমণ করার পালা। সেই আক্রমণকারীদের মধ্যে সর্বাগ্রে বিজেপির নেতারা তো আছেনই, আছেন কিছু কিছু তৃণমূল নেতাও। এই অবস্থায় এদিন রাজীবকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া সাংসদ সৌমিত্র খাঁও। তিনি রাজীবকে আক্রমণ করার পাশাপাশি ‘সেরেল্যাক’ খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।

সৌমিত্র এদিন ফেসবুকে তাঁর পেজ থেকেই সরাসরি আক্রমণ শানেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নিজের বক্তব্য ফেসবুক পেজে লাইভ করে তিনি বলেন, ‘রাজীববাবু আপনাকে বলি, আপনি তো উপমুখ্যমন্ত্রী হতে বিজেপিতে এসেছিলেন। মমতা আপনাকে ভাল জায়গা দিয়েছিলেন কয়েকটা, কিন্তু, আপনার পোষালো না। আপনি তো বিজনেসম্যান। ৫৫ বছর বয়সে আপনি এতটাই শিশু যে বুঝতেই পারেননি দল ক্ষমতায় আসবে কি না। তাই আপনাকে ভুল বুঝিয়ে দলে আনা সম্ভব হয়েছিল। তা ভাল…আপনি বরং মাঝেমধ্যে সেরেল্যাক খাওয়া অভ্যেস করুন।’ এখানেই না থেমে সৌমিত বলেন, ‘আপনি নিজেকে এত বড় নেতা ভেবেনিয়েছেন যে বাংলা থেকে নয়, সুদূর ত্রিপুরাতে গিয়ে আপনাকে তৃণমূলে যোগদান করতে হল। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে না পেরে ফিরে যেতে হল আপনাকে। ভাল হয়েছে আপনি গিয়েছেন। আসলে বাংলার রাজনীতিটা তো এখন বিজনেস হয়ে গিয়েছে। সেখানে আপনার মতো বিজনেসম্যানরা কোনও আদর্শের ধার ধারেন না। আজ এখানে তো কাল ওখানে চলে যান। তাই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলব, আপনারা ভরসা হারাবেন না। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলে কোনও চারটে লোক বেশি আনতে পারেননি। তাঁর চলে যাওয়ায় দলের কোনও ক্ষতি হবে না। বিজেপি শক্তিশালী দল। আপনাদের অনুরোধ সৌজন্যের রাজনীতি করুন।’

ঘটনা হচ্ছে, রাজীবের এই প্রত্যাবর্তন তৃণমূলেরই অনেকে মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু যেহেতু গোটা বিষয়টি অভিষেক নিজে দেখছেন তাই প্রকাশ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিনা আর কেউ প্রকাশ করেননি। রাজ্যের ওয়াকিবহাল বহলের ধারনা তৃণমূলে কে ফিরবেন বা কাকে ফেরানো হবে তার বড় দায়িত্ব নিয়েছেন অভিষেক। তাই তিনি কয়েক দিন আগে খড়দহের সভায় ঘোষণা করেছিলেন, ‘যাঁদের ফেরানো হচ্ছে, তাঁদের প্রায়শ্চিত্ত করেই তবেই এন্ট্রি হচ্ছে। কিন্তু সেই এন্ট্রি অত সোজা নয়। সব দলবদলুকে চান্স দিলে বিজেপি বাংলা থেকে উঠে যাবে।’ এই অবস্থায় রাজীব কোন প্রায়শ্চিত্ত করে দলে ফিরলেন তা কিন্তু জানা যাচ্ছে না।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00